Collector
সাড়ে ৩ লাখ কোটি ডলারের সম্পদ গোপন করছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনীরা | Collector
সাড়ে ৩ লাখ কোটি ডলারের সম্পদ গোপন করছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনীরা
Jagonews24

সাড়ে ৩ লাখ কোটি ডলারের সম্পদ গোপন করছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনীরা

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ করের আওতার বাইরে রয়ে যাচ্ছে—এমনই দাবি করেছে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম। সংস্থাটির সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে অতিধনী ব্যক্তিরা প্রায় ৩ দশমিক ৫৫ ট্রিলিয়ন (৩ লাখ ৫৫ হাজার কোটি) ডলারের সম্পদ কর কর্তৃপক্ষের চোখের আড়ালে রেখেছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালে অফশোরে রাখা মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন ডলারে। এই হিসাব তৈরিতে ফরাসি অর্থনীতিবিদ গ্যাব্রিয়েল জুকম্যান এবং ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরির গবেষণা ব্যবহার করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৬ সালে বিভিন্ন দেশের মধ্যে স্বয়ংক্রিয় তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা কিছুটা কমেছে। তবুও বিপুল অংকের সম্পদ এখনো গোপন রয়েছে। অক্সফামের হিসাব অনুযায়ী, এই গোপন সম্পদের পরিমাণ বিশ্ব মোট উৎপাদনের (জিডিপি) তিন শতাংশেরও বেশি। আরও পড়ুন>>ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়া প্রথম দেশ হতে পারে বাংলাদেশহরমুজ খুললেই কাটবে না সংকট, রেশ থাকবে বহুদিনতেল-গ্যাস সংকটে আবারও কয়লায় ঝুঁকছে বিশ্ব প্রতিবেদন বলছে, এই সম্পদের প্রায় ৮০ শতাংশই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ০ দশমিক ১ শতাংশ মানুষের হাতে কেন্দ্রীভূত। অর্থাৎ, অতি ক্ষুদ্র এই গোষ্ঠীর করবিহীন সম্পদের পরিমাণ বিশ্বের দরিদ্রতম অর্ধেক মানুষের মোট সম্পদের সমান। এই গবেষণা প্রকাশ করা হয়েছে পানামা পেপারস প্রকাশের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে। ওই তদন্তে বিশ্বজুড়ে করস্বর্গগুলোর গোপন কার্যক্রম সামনে আসে। সংস্থাটির করনীতি বিষয়ক প্রধান ক্রিশ্চিয়ান হ্যালাম বলেন, ‘এটি শুধু হিসাব-নিকাশের কৌশল নয়, বরং ক্ষমতা ও দায়মুক্তির বিষয়। ধনী ব্যক্তিরা যখন ট্রিলিয়ন ডলার অফশোরে লুকিয়ে রাখেন, তখন তারা নিজেদের সমাজের সাধারণ নিয়মের ঊর্ধ্বে নিয়ে যান।’ বিশ্বব্যাপী ধনীদের ওপর প্রগতিশীল সম্পদ কর আরোপের দাবি জানিয়েছে এবং কর ফাঁকির সুযোগ কমাতে বিভিন্ন দেশের সরকারকে আইনগত ফাঁকফোকর বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে অক্সফাম। পাশাপাশি, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বৈশ্বিক তথ্য বিনিময় ব্যবস্থার আওতায় আনার কথাও বলা হয়েছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ানকেএএ/

Go to News Site