Jagonews24
৫০টি নাটক নির্মাণ করে এবার জীবনভিত্তিক গল্প নিয়ে ‘বিদায় বেলা’নামের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে যাচ্ছেন নির্মাতা নাজনীন হাসান খান। রাজীব মণি দাসের গল্পে নির্মিতব্য এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের কাজ চলতি মাসেই শুরু হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন এর নির্মাতা। পরিচালক নাজনীন হাসান খান দীর্ঘ ১৬ বছরের ক্যারিয়ারে একক ও টেলিফিল্ম মিলে ৫০টি নাটক নির্মাণ করেছেন। দীর্ঘ এই পথচলায় দর্শকদের অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারে তিনি একক নাটক, টেলিফিল্ম, সচেতনতামূলক ছোট গল্প, বিজ্ঞাপনচিত্রসহ নানান জীবনঘনিষ্ট গল্প ও স্বতন্ত্র নির্মাণশৈলীর পরিচয় দিয়েছেন। একজন নারী নির্মাতা হিসেবে যা কষ্টসাধ্যই বটে। ‘বিদায় বেলা’নামের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে যাচ্ছেন নির্মাতা নাজনীন হাসান খান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জীবনভিত্তিক ‘বিদায় বেলা’ নামক একটি ছোটগল্প নির্মাণের ঘোষণা দেন। এ সময় উক্ত গল্পের অভিনয়শিল্পী চলচ্চিত্র অভিনেতা শিবা শানু, নাট্যাভিনেতা আব্দুল্লাহ রানা, কাজী রাজু, রেশমা আহমেদ, আল-মামুন রূপান্ত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। নাজনীন হাসান খান বলেন, ‘আসলে কখনো ভাবিনি আমার পরিচালনায় ৫০টি নাটক নির্মাণ করতে পারব। এইটা আমার জন্য সৌভাগ্যের। দর্শকদের ভালোবাসায়ই আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আর বিদায় বেলা গল্পটি আমাকে ভীষণভাবে আকর্ষিত করেছে, আশা করি পূর্বের ন্যায় দর্শক ব্যতিক্রম কিছু উপহার পাবে।’ নাটক নির্মাণে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি দেশীয় একাধিক সম্মানজনক পুরস্কার প্রাপ্তির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিচারকের দায়িত্বও পালন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাবিসাস অ্যাওয়ার্ড, ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড, শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড, বায়োস্কোপ স্টার অ্যাওয়ার্ড, এজেএফবি স্টার অ্যাওয়ার্ড। বিচারক হিসেবেও তার উপস্থিতি রয়েছে সমধুর। মিস্টার অ্যান্ড মিস গ্ল্যামার লুকস, বাভাসি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রধান বিচারকসহ আরও অনেক প্রোগ্রামের বিচারক হিসেবে তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। নাজনীন হাসান খান কেবল একজন পরিচালক ও প্রযোজকই নন, তিনি সামাজিক বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত। একজন নারী নির্মাতা হিসেবে ৫০টি নাটক নির্মাণের প্রাক্কালে তিনি দেখিয়েছেন যে, এই অঙ্গনে নারী-পুরুষ কোনো ভেদাভেদ নেই। ইচ্ছাশক্তিই আসল। আরও পড়ুন:লুবাবার বিয়ের জন্য তার বাবা-মায়ের শাস্তি দাবি বিয়ে নিয়ে লুবাবার নতুন বক্তব্য তার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য ধারাবাহিক নাটক হলো ‘ভেজাল কাদের’ ও ‘গণক’। একক নাটক ও টেলিফিল্ম হচ্ছে ‘মায়ের ইচ্ছা’, ‘দারোগা বউ জামাই আসামী’, ‘বিশিষ্ট চিন্তাবিদ’, ‘নীল শুভ্র’, ‘আধুনিক চোর’, ‘সর্বপ্যাথি ডাক্তার’, ‘লাভ বার্ড’, ‘জামাই আবদার’, ‘সম্পত্তি ভাগ’, ‘পাওয়ার’, ‘হ্যালুসিনেশন’, ‘টনিকম্যান’, ‘ভুঁড়ির অহংকার’, ‘জামাই বাড়িতে ঈদ’, ‘আধুনিক চোর’, ‘জামাই দাওয়াত’, ‘দুই বউয়ের জ্বালা’, ‘আলো আঁধারে’, ‘কিস্তি নিলে জামিন নাই’, ‘মাথা গরম পরিবার’, ‘জামাইর আবদার’, ‘পিরিতের প্রফেসর’, ‘মিস্টার পারফিউম’, ‘দাজ্জাল বউ’, ‘নেপালে হানিমুন’, ‘প্রেমলীলা’, ‘নিয়তি’ ইত্যাদি। এমআই/এমএমএফ
Go to News Site