Collector
মার্চেও কমলো দেশের রফতানি আয় | Collector
মার্চেও কমলো দেশের রফতানি আয়
Somoy TV

মার্চেও কমলো দেশের রফতানি আয়

টানা ৮ম মাসের মতো পতনের ধারায় রয়েছে দেশের রফতানি খাত। সবশেষ গত মার্চ মাসে দেশে পণ্য রফতানি থেকে আয় এসেছে ৩৪৮ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। বছর ব্যবধানে যা কমেছে ১৮ দশমিক ০৭ শতাংশ।বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত মার্চ মাসে কমেছে দেশের রফতানি আয়। ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৮ দশমিক ০৭ শতাংশ। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে রফতানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪২৪ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। তৈরি পোশাক খাত মার্চ মাসে তৈরি পোশাক (আরএমজি) রফতানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৭৮ কোটি ২২ লাখ ডলারে। আর ২০২৫ সালের একই সময়ে এ আয় ছিল ৩৪৪ কোটি ৯৯ লাখ ডলার। আরও পড়ুন: বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত, রফতানিতে প্রভাব পড়বে? তৈরি পোশাক খাতের রফতানি আয়ের মধ্যে ১৪২ কোটি ৩২ লাখ ডলার এসেছে নিটওয়্যার রফতানি থেকে, যা বছর ব্যবধানে ২১ দশমিক ২০ শতাংশ কমেছে। এছাড়া ১৩৫ কোটি ৮৯ লাখ ডলার এসেছে ওভেন পোশাক রফতানি থেকে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ১৭ দশমিক ৩২ শতাংশ। ইপিবির তথ্যানুযায়ী, মার্চ মাসে অন্যান্য উল্লেখযোগ্য খাতের মধ্যে কৃষি পণ্য, হোম টেক্সটাইল এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রফতানি আয় কমেছে। মার্চ মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় হোম টেক্সটাইলের রফতানি আয় ২০ দশমিক ৫০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৯১ লাখ ডলারে। আর চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রফতানি কমেছে ৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ। মার্চ মাসে রফতানি হয়েছে ৮ কোটি ৭৯ লাখ ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। এছাড়া কৃষি পণ্যের রফতানি আয় শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ডলারে। ২০২৪ সালের একই সময়ে যা ছিল ৬ কোটি ৪৬ লাখ ডলার। এদিকে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং চামড়াসহ ২৭ ধরনের পণ্য বিশ্ববাজারে রফতানি হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশ থেকে রফতানি হয়েছে ৩ হাজার ৫৩৮ কোটি ৬৫ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ কম।

Go to News Site