Collector
ইসরাইলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরান ও হুতিদের | Collector
ইসরাইলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরান ও হুতিদের
Somoy TV

ইসরাইলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরান ও হুতিদের

ইসরাইলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান ও হুতি বিদ্রোহীরা। হামলা হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও ইরাকের বিভিন্ন মার্কিন প্রতিষ্ঠান ও কূটনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে। এরমধ্যেই পারস্য উপসাগরে শত্রুপক্ষের একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে আইআরজিসি।ইরান থেকে ছোড়া ব্যালিস্টিক মিসাইল আঘাত হেনেছে তেল আবিব ও জেরুজালেমসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে। এসময় রাজধানীজুড়ে ছিল শুধুই সাইরেনের শব্দ। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বিভাগের দাবি, পেতাহ তিকভা শহরে মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পরপরই হাজার হাজার আতঙ্কিত মানুষ বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। ইরানের সামরিক বাহিনীও দাবি করছে বড় ধরনের সাফল্যের। পারস্য উপসাগরের কেশম দ্বীপের কাছে শত্রুপক্ষের একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার কথা জানিয়েছে আইআরজিসি। দুবাইয়ে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকল এবং বাহরাইনে আমাজনের ডাটা সেন্টারেও সাইবার ও অবকাঠামোগত হামলার দাবি করেছে তারা। অন্যদিকে ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবস্থিত মার্কিন কূটনৈতিক ও লজিস্টিক সেন্টার লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে শক্তিশালী ড্রোন হামলা। এতে ওই অঞ্চলের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যুদ্ধে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। ইসরাইলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে গোষ্ঠীটি। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ইরান ও হিজবুল্লাহর সাথে সমন্বয় করেই এই অপারেশন চালানো হয়েছে। একইদিন লেবাননের শামায়া শহরে ইসরাইলি সেনা ও সামরিক যান লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালানোর দাবি করেছে হিজবুল্লাহ।  আরও পড়ুন: ৭০ লাখ ইরানি যুদ্ধে নামতে প্রস্তুত: বাঘের গালিবাফ এদিকে ইরানের অভ্যন্তরে হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। আলবোরজ প্রদেশের কারাজ শহরের নির্মাণাধীন বি-ওয়ান ব্রিজে চালানো ড্রোন হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। আহত হয়েছেন অনেক বেসামরিক নাগরিক। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই হামলাকে শত্রুর ‘নৈতিক পরাজয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে দেখা দিয়েছে চরম উদ্বেগ। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালী মুক্ত করার মার্কিন পরিকল্পনাকে ‘অবাস্তব’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এমন কিছু পক্ষ রয়েছে যারা সামরিক অভিযানের মাধ্যমে শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালী মুক্ত করার পক্ষে, যা মাঝেমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও ব্যক্ত করা হয়েছে। তবে এটি কখনোই আমাদের পছন্দনীয় বিকল্প ছিল না এবং আমরা একে অবাস্তব বলে মনে করি।’ তবে ট্রাম্প প্রশাসন তাদের অবস্থানে অনড়। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের লক্ষ্য তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিমান ও নৌবাহিনী এবং মিসাইল সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করার লক্ষ্যের একেবারে কাছাকাছি রয়েছে বলেও দাবি তাদের।

Go to News Site