Collector
মাঝপথে হঠাৎ মুখ ঘুরিয়ে ভারতগামী ইরানি তেলবাহী জাহাজ চীনের পথে! | Collector
মাঝপথে হঠাৎ মুখ ঘুরিয়ে ভারতগামী ইরানি তেলবাহী জাহাজ চীনের পথে!
Somoy TV

মাঝপথে হঠাৎ মুখ ঘুরিয়ে ভারতগামী ইরানি তেলবাহী জাহাজ চীনের পথে!

ইরানরে অপরিশোধিত তেল রফতানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সুযোগে দেশটির তেলবাহী ভারতগামী একটি জাহাজ মাঝপথে দিক পরিবর্তন করে চীনের দিকে রওনা হয়েছে। প্রায় সাত বছরের মধ্যে ভারতে এই ধরনের প্রথম তেলের চালান যাওয়ার কথা ছিল।জাহাজ-ট্র্যাকিং সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালে নির্মিত এবং ২০২৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত ছিল ‘পিং শুন’ নামের আফরাম্যাক্স শ্রেণির ট্যাংকারটি। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজটি ভারতের গুজরাটের ভাদিনারকের পরিবর্তে চীনের ডংইয়িংকে নতুন গন্তব্য হিসেবে দেখাচ্ছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে জাহাজটি গন্তব্য হিসেবে ভাদিনারকে জানানো হয়েছিল। আরও পড়ুন: মুখ থুবড়ে পড়ল বলপূর্বক হরমুজ প্রণালী খোলার উদ্যোগ তবে জাহাজের স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (এআইএস) যে গন্তব্য দেখাচ্ছে, সেটিই চূড়ান্ত কি না তা নিশ্চিত নয় এবং যাত্রাপথে এটি পরিবর্তিতও হতে পারে। কেপলার বিশ্লেষক সুমিত রিতোলিয়া বলেন, ‘গত তিন দিন ধরে ভারতমুখী থাকা ইরানের অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ ‘পিং শুন’ গন্তব্যের কাছাকাছি এসে নতুন গন্তব্য হিসেবে ভারতকে বাদ দিয়ে চীনকে গন্তব্য হিসেবে দেখাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালের পর এটি হতো ভারতে প্রথম কোনো ইরানি অপরিশোধিত তেলের চালান। সম্প্রতি সমুদ্রে থাকা ইরানি অপরিশোধিত তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর থেকে ভারতীয় শোধনাগারগুলো ইরানি তেলের কয়েকটি চালান কেনার সুযোগ খুঁজছিল। আরও পড়ুন: মার্কিন ‍যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ ইরানি গণমাধ্যমে রিতোলিয়ার বলেন, পিন শুনের গন্তব্য পরিবর্তনের পেছনে অর্থ পরিশোধ-সম্পর্কিত বলে মনে হচ্ছে। আগে যেখানে ৩০ থেকে ৬০ দিনের ঋণ সুবিধা ছিল, এখন বিক্রেতারা তা কমিয়ে আগাম বা দ্রুত অর্থ পরিশোধের শর্ত দিচ্ছে। তবে এই তেলের প্রকৃত ক্রেতা ও বিক্রেতা কারা— তা স্পষ্ট নয়। তিনি আরও বলেন, অর্থ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান হলে এই চালান এখনও ভারতে যেতে পারে। তবে এই ঘটনা দেখাচ্ছে, চীনের বাইরে অন্য দেশে ইরানি তেল রফতানিতে বাণিজ্যিক শর্ত এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।  ভারতের তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ইরানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত প্রযুক্তিগত ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনার ওপর নির্ভর করবে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

Go to News Site