Somoy TV
নরসিংদীতে দুই পৃথক স্থানে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে জেলার মাধবদী থানা ও পলাশ উপজেলায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।নিহতরা হলেন, পলাশ উপজেলার ডাঙা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামের মৃত মোমেন মিয়ার ছেলে আল মামুন (১৯) ও মাধবদী থানার চাঁনগাও এলাকার মোতালেব মিয়ার ছেলে মনসুর আলী (৩৫)। তারা উভয়েই অটোরিকশা চালক ছিলেন। নিহতদের স্বজনরা জানায়, বুধবার দুপুরে পলাশ উপজেলার ডাঙা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামের আল মামুন এর সাথে গাছের ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী ইসমাইল মিয়া, তার ছেলে হযরত আলী ও আজিজুলের ঝগড়া হয়। এরই জের ধরে মামুন শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে গালিমপুরের ইটভাটার সামনে পৌঁছালে অভিযুক্তরা অতর্কিত তার উপর হামলা করে। এসময় তারা মামুনের বুকসহ একাধিক স্থানে ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। আরও পড়ুন: বগুড়ায় বস্তায় ভরে রগ কেটে যুবলীগ নেতাকে হত্যা, গ্রেফতার ৪ এর আগে শুক্রবার সকালে নরসিংদী সদর উপজেলার মাধরদী থানার আমদিয়া ইউনিয়নের চাঁনগাও এলাকার একটি পুকুর থেকে অটোরিকশা চালক মনসুর আলী(৩৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মনসুর গতকাল বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। পরে আজ সকালে চাঁনগাও এলাকার একটি পুকুরে ভাসমান অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পায় এলাকাবাসী । পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করলে নিহতের স্ত্রী মরদেহটি মনসুরের বলে নিশ্চত করেন। চিকিৎসক জানায়, মামুনের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ দুইটি ঘটনাই তদন্ত করে আইনগত ভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানিয়েছে। আরও পড়ুন: পাবনায় ছাত্রদল সদস্য সোহাগকে কুপিয়ে হত্যা নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম) সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, মামুন প্রতিবেশীর সাথে ঝগড়ার জেরে হত্যার শিকার হয়েছে। আর মনসুর আলীর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ করা হচ্ছে। দুটি ঘটনায় আসামিদের গ্রেপ্তার ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
Go to News Site