Somoy TV
ইরানি সামরিক ইউনিটগুলো এখন পর্যন্ত শত্রুপক্ষের বেশ কয়েকটি উন্নত যুদ্ধবিমান, এমকিউ-৯, হারমিস ও লুকাসসহ ১৬০টিরও বেশি ড্রোন এবং কয়েক ডজন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। খবর তাসনিম নিউজ এজেন্সির।আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) ইরানের সেনাবাহিনী ও আইআরজিসির আকাশ প্রতিরক্ষা অবস্থানগুলো পরিদর্শনকালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি রেজা এলহামি এই তথ্য জানিয়েছেন। এলহামি উল্লেখ করেন যে, শত্রু কোনো আক্রমণাত্মক অভিযান চালানোর আগেই এই পদক্ষেপগুলো নেয়া হয়েছে, যা আগ্রাসনকারীদের ‘বিভ্রান্তিকর প্রচারণা’কে নস্যাৎ করে দিয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এলহামি জোর দিয়ে বলেন যে, ইরানি বাহিনী শত্রু বিমান ও ড্রোনের জন্য ওত পেতে বসে আছে। এলহামি জানান, সেনাবাহিনী ও আইআরজিসির ইউনিটগুলোর মাধ্যমে চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের একাধিক শত্রু যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার বিষয়টি তাদের কৌশলগত দক্ষতা, আধুনিক সরঞ্জামের উদ্ভাবনী ব্যবহার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নৈপুণ্যেরই ফল। এটি শত্রু বাহিনীকে বিভ্রান্ত করে দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। আরও পড়ুন: ইরানের ছয় পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় বিমান হামলা এলহামি বলেন, সেনাবাহিনী ও আইআরজিসির আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক ঐক্যবদ্ধ এবং যেকোনো মূল্যে ইরানের আকাশ সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক আগ্রাসন শুরু করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। ওইদিনই দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীগুলো ইসরাইলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোতে আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে থাকা মার্কিন ও ইসরাইলি অবস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে। আরও পড়ুন: জাতিসংঘে জোরপূর্বক হরমুজ প্রণালী খোলার প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি স্থগিত আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) রক্তক্ষয়ী এই সংঘাত ৩৫তম দিনে গড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত লড়াই থামানোর কোনো লক্ষণ নেই। বরং যতই দিন যাচ্ছে, ক্রমেই আরও তীব্র হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া ৪৮ ঘণ্টার একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান।
Go to News Site