Somoy TV
নির্বাচনে পোলিং ও প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রভাবিত করে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, শেরপুর-৩ আসনে যদি আবারও কোনো ধরনের কারচুপির চেষ্টা করা হয়, তবে জামায়াত রাজপথে দাঁড়িয়ে যাবে।শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসনটিতে স্থগিত হওয়া নির্বাচন উপলক্ষে এই জনসভার আয়োজন করা হয়।মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষ বা অন্যান্য প্রতীকের বদলে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে এবং এজেন্টদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, 'প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে বলতে চাই, পোলিং ও প্রিজাইডিং অফিসারদের স্বার্থের প্রলোভন দেখিয়ে দলীয় লোক দিয়ে পুনরায় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের যে ষড়যন্ত্র চলছে, তা বন্ধ করুন। অন্যথায় আমরা এর কড়া জবাব দেব।'বিএনপির সমালোচনা করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, 'গণভোটে প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু এখন বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে সেই আদেশকে বাতিল করতে যা যা করা দরকার, তাই করছে। মানুষ সাধারণত আস্তে আস্তে পরিবর্তন হয়, কিন্তু তারা এক মাস পার হওয়ার আগেই উল্টো পথে চলা শুরু করেছে।'তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, যারা পার্লামেন্টে গিয়ে জনগণের সাথে ওয়াদা ভঙ্গ করে এবং ফ্যাসিস্টদের হাতকে শক্তিশালী করে, তাদের বর্জন করতে হবে।আরও পড়ুন: ৯ এপ্রিল বগুড়া ও শেরপুরে সাধারণ ছুটি ঘোষণাঝিনাইগাতী উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম ও জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা মাসুদুর রহমান। এ সময় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যু জনীত কারণে নির্বাচন কমিশন নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে আগামী ৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণের দিন ধার্য করেন। দুই উপজেলায় ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ২৭৭ জন।এই আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
Go to News Site