Somoy TV
সকল ঠেকাতে এবার শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিবদের করা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, যদি পরীক্ষা কেন্দ্রে নকল হয় তাহলে কেন্দ্র সচিব ও শিক্ষকরা শাস্তি পাবে।শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে কুমিল্লা অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। সভায় আরো উপস্থিত আছেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকতারা, সব কেন্দ্র সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীরা। পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি লাগানো নিয়ে মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রের প্রত্যেক কক্ষে সিসি ক্যামেরা থাকবে। কারসাজি হয় এমসিকিউএর সময়। তাই সেসময় ৩০ মিনিট যান্ত্রিক গোলযোগ ছিল বলার সুযোগ নেই। বিদ্যুৎ না থাকলে আইপিএস ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের। ড. মিলন বলেন, ১৯৭২ থেকে ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে নকলে সহায়তা করেছিলেন শিক্ষকরা। আবার ২০০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে আমি নকলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলাম। পরে আমরা সরে গেলাম আবার সেই একই অবস্থা। তার মানে যেভাবে সরকার চায় আপনারা সেভাবে কাজ করবেন। এবার আমরা এসেছি আমরা নকল চাই না। কোচিং সেন্টার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে-বিদেশে সব কিছুর লাইসেন্স ব্যবস্থা আছে কিন্তু আপনি ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার খুলবেন- এগুলো কি আইনের আওতায় আসবে না মনে করেন? সব আস্তে-আস্তে হবে।আরও পড়ুন: আগামীতে পরীক্ষা হবে নকলমুক্ত, হলে থাকবে সিসি ক্যামেরা: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে শিক্ষায় দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা অনেক কাজ করেছি কিন্তু স্বপ্ন একটি, তারেক রহমানের আগামীর বাংলাদেশ গড়া। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্য দশটা মন্ত্রণালয়ের মতো না। এখানে যারা কাজ করছেন তারা সবাই সদকায়ে জারিয়া পাবেন। অনুষ্ঠানের শেষ দিকে মন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছ থেকে বক্তব্য শুনেন। কোথায় কার কি সমস্যা সেটির সমাধানের চেষ্টা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা ৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা ৫ আসনের জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা ৯ আসনের আবুল কালাম, কুমিল্লা ১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শামছুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ শিক্ষা বোর্ড জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
Go to News Site