Somoy TV
বরিশালে ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও ছাত্রদল নেতাসহ পাঁচজনকে পুলিশে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের একাংশের বিরুদ্ধে।শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে বরিশাল নগরীর রূপাতলী হাউজিং এলাকার একটি মেস বাসা থেকে তাদের আটক করে পুলিশে দেন ছাত্রদল নেতাদের ওই অংশটি। আটকরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের (২০১৭-১৮) সেশনের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান তমাল, একই বিভাগের আকরাম খান ইমন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের (২০১৪-১৫) সেশনের শিক্ষার্থী মুইদুর রহমান বাকি, একই বিভাগের রাকিবুল ইসলাম রনি ও রুম্মান হাসান। বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, 'সন্ত্রাস বিরোধী আইনে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। জানা গেছে যে মেস বাসা থেকে তাদের আটক করা হয় ওই বাসার মালিক সাইফুর রহমান শুভর সাথে তার স্ত্রীর পারিবারিক কলহ চলছিলো। সেই কলহ মেটাতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের (২০২০-২১) সেশনের শিক্ষার্থী হুমায়ুন হস্তক্ষেপ করেন। আরও পড়ুন: চাঁদা না দেয়ায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওই বাসার মালিক শুভ জানান, 'বৈষম্য বিরোধী নেতা মাহমুদুল হাসান তমাল এ নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে ছাত্রলীগের ট্যাগ দেয় ছাত্রদলের ওই অংশটি। পরে এ নিয়ে বাগবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে উভয়পক্ষ। পরে রাতে ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন তাদের দলবল নিয়ে ওই রুমে অবস্থান করা ছাত্রদল নেতা ইমনসহ পাঁচজনকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে মধ্য রাতে তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম জানান, 'আটক মাহমুদুল হাসান তমাল বৈষ্যম্য বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেছিলেন। এমনকি ২০২৪ সালের পহেলা আগস্ট গ্রেফতারও হয়েছিলেন। তাদেরকে এমন ট্যাগিং দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করা আওয়ামী স্টাইল পুনরাবৃত্তি।' আরও পড়ুন: গণভোটের পক্ষে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, 'ইমন যিনি নিজেকে ছাত্রদল নেতা হিসেবে দাবি করছেন তিনি ছাত্রদলের সাথে যুক্ত নন অনেকদিন ধরে। এমনকি তার বাসায় ছাত্রলীগে সম্পৃক্তরা নিয়মিত আড্ডা দিত।'
Go to News Site