Collector
হোয়াইট হাউসে বলরুমের নিচে তৈরি হচ্ছে বিশাল গোপন বাংকার | Collector
হোয়াইট হাউসে বলরুমের নিচে তৈরি হচ্ছে বিশাল গোপন বাংকার
Somoy TV

হোয়াইট হাউসে বলরুমের নিচে তৈরি হচ্ছে বিশাল গোপন বাংকার

হোয়াইট হাউসে বলরুমের নিচে বিশাল গোপন বাংকার নির্মাণ করা হচ্ছে। এ তথ্য নিজেই প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। পরিকল্পিত বলরুম প্রকল্প নিয়ে সমালোচনার মুখেই গোপন এসব তথ্য প্রকাশ করেছেন তিনি।কঠোর নিরাপত্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সুবিধা থাকবে বাংকারটিতে। ৪০ কোটি ডলার ব্যয়ে বলরুম প্রকল্পের ওপরের অংশ নিয়ে জনমনে ব্যাপক কৌতূহল থাকলেও এর ভূগর্ভস্থ অংশটি সবচেয়ে জটিল ও ব্যয়বহুল হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইংয়ের কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সেখানেই ট্রাম্পের জন্য তৈরি করা হচ্ছে নতুন বলরুম। আর এই বলরুমের নিচে নির্মাণ করা হচ্ছে বিশাল বাংকার।  সম্প্রতি হোয়াইট হাইজের ব্যয়বহুল সংস্কার কাজ নিয়ে সমালোচনায় পড়েন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এই বিতর্কে বাড়তি মাত্রা যোগ করে প্রেসিডেন্টের পরিকল্পিত বলরুম তৈরির কাজ। বলরুম নির্মাণ নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে একটি ভূগর্ভস্থ স্থাপনার কথা সামনে এনেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ ধরনের স্থাপনার বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা হলেও নিজের সংস্কারকাজের যৌক্তিকতা প্রমাণে স্থাপনাটির বিশদ বিবরণ দিচ্ছেন তিনি।  আরও পড়ুন: ট্রাম্পের বলরুম বানাতে হোয়াইট হাউজের একাংশ ভাঙা হচ্ছে গত সপ্তাহে এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রেসিডেন্ট জানান, ৯০ হাজার বর্গফুটের বলরুমটি মূলত নিচের ভূগর্ভস্থ প্রকল্পের জন্য একটি আচ্ছাদন হিসেবে কাজ করবে।  ট্রাম্পের বর্ণনা অনুযায়ী, এই বাংকারে বোমার আঘাত প্রতিরোধক আশ্রয়স্থল ও একটি হাসপাতালসহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসার সুবিধা থাকবে। এছাড়া সর্বাধুনিক গোপন যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জৈব অস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থাও রাখা হবে। ওপরের বলরুমটি ড্রোন, গুলি ও অন্যান্য হামলা থেকে ভূগর্ভস্থ স্থাপনাটিকে রক্ষা করবে। এতে থাকবে উচ্চমানের বুলেটপ্রুফ গ্লাস। তবে ট্র্রাম্পের এই প্রকল্প নিয়ে আইনি জটিলতাও অনেক। মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস আদালতে দুবার নথিপত্র জমা দিয়ে বলরুম প্রকল্পটি সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে।  আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের পাইলটের একটি ছবিই পাল্টে দেবে যুদ্ধের হিসাব-নিকাশ! তবে বিচারক লিওন এসব যুক্তির বেশির ভাগই প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রকল্পের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর কোনো শাখা জড়িত এবং নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কত, এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা।

Go to News Site