Jagonews24
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা। ব্যাংক লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা। আর সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই দোকান ও শপিং মল বন্ধ করতে হবে। শনিবার (৪ এপ্রিল) অফিসের নতুন সূচি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার ৫ এপ্রিল থেকে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস সময়সূচি পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে (রবি থেকে বৃহস্পতিবার)। শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। জরুরি পরিষেবাসমূহ নতুন অফিস সময়সূচির আওতার বাইরে থাকবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে ব্যাংকে গ্রাহক লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত। তবে ব্যাংক অফিস চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। লেনদেন শেষ হওয়ার পর বাকি সময় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ বা লেনদেন-পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এদিকে সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) ব্যাংক শাখা, উপশাখা ও বুথ সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখতে হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে দোকান ও শপিং মল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান ও শপিং মল খোলার দাবি জানান। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আপাতত সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যেই দোকান ও শপিং মল বন্ধের সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে। এর আগে, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সারাদেশে দোকান, বিপণিবিতান ও শপিংমল খোলার সময় পরিবর্তনের দাবি জানায় বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। এ বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানায় সংগঠনটি। জেএইচ
Go to News Site