Collector
প্রতিরোধের সুযোগ ছিল, তবুও মৃত্যু : হামে শিশু হারানোর দায় কার? | Collector
প্রতিরোধের সুযোগ ছিল, তবুও মৃত্যু : হামে শিশু হারানোর দায় কার?
Jagonews24

প্রতিরোধের সুযোগ ছিল, তবুও মৃত্যু : হামে শিশু হারানোর দায় কার?

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আবারও হাম-এর প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। একসময় টিকাদানের মাধ্যমে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসা এই সংক্রামক রোগ নতুন করে ফিরে আসছে—যা জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। প্রশ্ন হচ্ছে: কোথায় আমাদের গাফিলতি ছিল, কেন এই রোগ আবার ছড়িয়ে পড়ছে, এবং কীভাবে এর থেকে মুক্তি সম্ভব? বাংলাদেশ যেখানে ২০২৬ সালের মধ্যে হাম নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল, সেখানে বর্তমানে দেশ এক নজিরবিহীন মহামারির মুখে দাঁড়িয়ে। বছরের শুরু থেকে ৩ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত সারা দেশে ৫,৭৯২ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যার মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৭৭১ জনের। বিশেষ করে মার্চ মাসে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘতর হয়েছে, যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতাকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে অন্তত ৫৬টিতে হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সংক্রমণের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, বরিশাল, রাজশাহী, পাবনা এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে। ঢাকার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের মতো বিশেষায়িত হাসপাতালগুলো এখন রোগীর চাপে বিপর্যস্ত। অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের শয্যা না পেয়ে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। হাম কী এবং কেন এটি ভয়ংকরচিকিৎসকদের মতে, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে টিকা না নেওয়া প্রাপ্তবয়স্করাও আক্রান্ত হতে পারেন। এর লক্ষণ হিসেবে জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, এমনকি মস্তিষ্কে প্রদাহ (এনসেফালাইটিস) হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, হাম প্রতিরোধযোগ্য রোগ হলেও টিকাদানের ঘাটতি থাকলে এটি দ্রুত মহামারির রূপ নিতে পারে। কেন মারা যাচ্ছে শিশুরা?হাম নিজে যেমন বিপজ্জনক, তেমনি এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। মৃত শিশুদের বেশিরভাগই অপুষ্টিতে ভুগছিল এবং তাদের কারোরই টিকার ডোজ পূর্ণ ছিল না। এছাড়া নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কের প্রদাহ এবং তীব্র ডায়রিয়া হামের পরবর্তী জটিলতা হিসেবে শিশুদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। জেলা শহরগুলোতে আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর সংকটের কারণে অনেক শিশুকে বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে না। দুই.কোথায় ছিল গাফিলতি? ১. টিকাদানে অনিয়ম ও ঘাটতিহাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো এমআর (Measles-Rubella) টিকা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, শিশুরা সময়মতো টিকা পায় না। শহরের বস্তি এলাকা বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে টিকাদানের কাভারেজ এখনও সন্তোষজনক নয়। অনেক অভিভাবক টিকার গুরুত্ব বুঝতে না পারা বা অবহেলার কারণে শিশুদের টিকা দেন না। ২. ভ্রান্ত ধারণা ও গুজবসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিকা নিয়ে নানা ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। কিছু মানুষ মনে করেন টিকা দিলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি হয়, যা বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল। এই ধরনের গুজব টিকাদান কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করছে। ৩. স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতাকিছু ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকার ঘাটতি, দক্ষ জনবলের অভাব এবং তদারকির দুর্বলতা দেখা যায়। নিয়মিত মনিটরিং না থাকলে টিকাদানের অগ্রগতি ঠিকভাবে মূল্যায়ন করা যায় না। ৪. জনসচেতনতার অভাবঅনেক পরিবার এখনও জানে না যে হাম কতটা ভয়ংকর হতে পারে। ফলে প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলেও তারা চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে ঘরোয়া চিকিৎসায় সময় নষ্ট করেন, যা সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ায়। ৫. মহামারির সময় টিকাদান ব্যাহত হওয়াকোভিড-১৯ মহামারির সময় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি অনেক জায়গায় ব্যাহত হয়েছিল। সেই “ইমিউনিটি গ্যাপ” এখন হাম ছড়িয়ে পড়ার একটি বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিন.চিকিৎসকদের পরামর্শচিকিৎসকরা বলছেন, হাম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলা জরুরি— ১. সময়মতো টিকা দেওয়াশিশুর ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে এমআর টিকা দেওয়া বাধ্যতামূলক। চিকিৎসকদের মতে, “টিকা না নেওয়া শিশুই হাম ছড়ানোর প্রধান উৎস হয়ে ওঠে।” ২. আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখাহাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখতে হবে। অন্তত ৭–১০ দিন আইসোলেশনে রাখা জরুরি। ৩. পুষ্টিকর খাবার ও ভিটামিন এচিকিৎসকরা বিশেষভাবে ভিটামিন এ সাপ্লিমেন্ট দেওয়ার পরামর্শ দেন, যা রোগের জটিলতা কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে হবে। ৪. দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াজ্বর ও ফুসকুড়ি দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। অনেক সময় সাধারণ জ্বর ভেবে অবহেলা করা হয়, যা বিপজ্জনক হতে পারে। ৫. স্কুল ও জনসমাগমে সতর্কতাপ্রাদুর্ভাবের সময় স্কুল বা ডে-কেয়ারে আক্রান্ত শিশুদের না পাঠানো এবং জনসমাগমে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। ৫. কখন দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে?চিকিৎসকরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, কিছু লক্ষণ দেখা দিলে ঘরোয়া চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে:• যদি শিশুর শ্বাসকষ্ট হয় বা বুক দেবে যায় (নিউমোনিয়ার লক্ষণ)।• অবিরাম বমি বা তীব্র ডায়রিয়া হলে।• শিশু খুব বেশি নিস্তেজ হয়ে পড়লে বা খিঁচুনি দিলে।• কান দিয়ে পুঁজ পড়লে বা চোখ খুব বেশি লাল হয়ে ফুলে গেলে। হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ হওয়া সত্ত্বেও এর প্রাদুর্ভাব বাড়া আমাদের জন্য একটি সতর্ক সংকেত। এটি শুধু স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতা নয়, বরং আমাদের সম্মিলিত গাফিলতির প্রতিফলন। সময়মতো টিকা দেওয়া, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি গ্রহণের মাধ্যমে এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। চিকিৎসকদের ভাষায়, “হামকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই—যদি আমরা সময়মতো প্রতিরোধ করি।” এখন প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুকে এই প্রতিরোধযোগ্য রোগে প্রাণ হারাতে না হয়। চার.চিকিৎসকদের বিশেষ বার্তা\"হাম কেবল একটি সাধারণ জ্বর-ঠান্ডা নয়; এটি শিশুকে স্থায়ীভাবে পঙ্গু বা মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে। টিকা নিতে কোনো ভয় নেই, এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ। গুজবে কান না দিয়ে শিশুকে টিকা দিন এবং পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করুন।\" দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আজ ৫ এপ্রিল রবিবার থেকে সরকার দেশব্যাপী জরুরি টিকাদান কর্মসূচি (National Emergency Vaccination Campaign) শুরু করতে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের ঘোষণা অনুযায়ী, এই কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রতিটি প্রান্তের শিশুদের টিকা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, তারা আগে টিকা নিয়ে থাকুক বা না থাকুক। গতকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে জরুরি হাম-রুবেলা টিকা কর্মসূচি উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। টিকা দেওয়ার প্রধান স্থানগুলো নিচে দেওয়া হলো: ১. সরকারি টিকাদান কেন্দ্র ও হাসপাতাল সারা দেশের স্থায়ী এবং অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে এই বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে : • উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: দেশের প্রতিটি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা ও সিরিঞ্জ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ পর্যায়ে এটিই প্রধান কেন্দ্র।• জেলা সদর হাসপাতাল: সকল জেলা হাসপাতালে বিশেষ বুথের মাধ্যমে টিকা দেওয়া হবে।• মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল: ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রামসহ সকল বড় শহরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলোতে এই সেবা পাওয়া যাবে।• বিশেষায়িত হাসপাতাল (ঢাকা): ঢাকার বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট (শ্যামলী) এবং সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল (মহাখালী)-তে বড় আকারে টিকাদান চলবে। ২. কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইপিআই (EPI) কেন্দ্রতৃণমূল পর্যায়ে শিশুদের কাছে পৌঁছাতে নিচের স্থানগুলো ব্যবহার করা হবে :•কমিউনিটি ক্লিনিক: গ্রামের পাড়ায় পাড়ায় অবস্থিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে নির্ধারিত দিনে টিকা দেওয়া হবে।•সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা কেন্দ্র: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ অন্যান্য পৌরসভার মাতৃসদন ও নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে এই টিকা পাওয়া যাবে।•ইপিআই আউটরিচ সেন্টার: নিয়মিত ইপিআই (EPI) টিকাদানের জন্য পাড়ায় যে অস্থায়ী কেন্দ্রগুলো বসে, সেগুলোতেও এই বিশেষ ডোজ দেওয়া হতে পারে। ৩. উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা (Hotspots) স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে প্রথম পর্যায়ে দেশের ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ (High-risk) হটস্পট এবং সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত উপজেলাগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়া শুরু হবে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা, রাজশাহী, পাবনা এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকা। প্রয়োজনীয় তথ্য• কারা টিকা পাবে: ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সি সকল শিশু।• আগে টিকা দেওয়া থাকলেও: আপনার শিশু যদি আগে হামের টিকা দিয়েও থাকে, তবুও সরকারের এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় তাকে অতিরিক্ত এক ডোজ টিকা দিতে হবে।• সময়: আজ ৫ এপ্রিল রবিবার সকাল থেকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মীদের তত্ত্বাবধানে টিকা দেওয়া শুরু হবে। পাঁচ.মুক্তির উপায়: কী করা দরকার ১. জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করাসরকারি উদ্যোগে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে হবে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ক্যাম্পেইন বাড়ানো জরুরি।২. ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করাশিশুর টিকা নেওয়ার তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করলে কে টিকা পেল, কে পেল না—তা সহজে জানা যাবে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।৩. জনসচেতনতা বৃদ্ধিটেলিভিশন, রেডিও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সব জায়গায় টিকার গুরুত্ব নিয়ে প্রচার বাড়াতে হবে। ধর্মীয় ও সামাজিক নেতাদেরও এই প্রচারে যুক্ত করা যেতে পারে।৪. স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ ও তদারকিমাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে টিকাদান কার্যক্রমে কোনো গাফিলতি না থাকে।৫. গুজব প্রতিরোধে তথ্যভিত্তিক প্রচারভুল তথ্য প্রতিরোধে সরকার ও স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোকে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রচার করতে হবে। মানুষকে বুঝাতে হবে যে টিকা নিরাপদ এবং জীবনরক্ষাকারী। ছয়.হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ হওয়া সত্ত্বেও এর প্রাদুর্ভাব বাড়া আমাদের জন্য একটি সতর্ক সংকেত। এটি শুধু স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতা নয়, বরং আমাদের সম্মিলিত গাফিলতির প্রতিফলন। সময়মতো টিকা দেওয়া, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি গ্রহণের মাধ্যমে এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। চিকিৎসকদের ভাষায়, “হামকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই—যদি আমরা সময়মতো প্রতিরোধ করি।” এখন প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুকে এই প্রতিরোধযোগ্য রোগে প্রাণ হারাতে না হয়। লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট। ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ।drharun.press@gmail.com এইচআর/এমএস

Go to News Site