Somoy TV
রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে হামের টিকা দেয়া।রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ২৮টি এবং পৌরসভার ৩টি অস্থায়ী কেন্দ্রে একযোগে টিকা দেয়া শুরু হয়।এদিন ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচে অর্থাৎ ৫৯ মাসের শিশুদের টিকা দেয়া হয়। যারা ৬ মাসের নিচে হামে আক্রান্ত তাদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল পাবে। একটি ভায়ালে ৫ শিশুকে টিকা দেয়া হচ্ছে। শুরুর দিনে গোদাগাড়ী উপজেলায় ৫ হাজার ৬৫০ জন এবং পৌরসভায় ৬২৮ জন শিশুকে টিকা দেয়া হবে।শনিবার থেকে শুরু হয়ে আগামী ৩ সপ্তাহ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টিকা প্রদান কার্যক্রম চলবে। ৩ সপ্তাহের টিকাদান কার্যক্রমে গোদাগাড়ি পৌরসভায় ২৫টি কেন্দ্রে ৬ হাজার ৯৭৭ জন শিশু এবং উপজেলায় ২১৭টি কেন্দ্রে ৩৬ হাজার ১৯০ শিশুকে টিকা দেয়া হবে।এ উপজেলায় রোববার সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত ২৭ জনের মধ্যে ১৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এরমধ্যে ৮ জন পজিটিভ। ৪ শিশু প্রেমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।আরও পড়ুন: ৩০ উপজেলায় হামের টিকা দেয়া শুরুএর আগে, রোববার সকাল ৯টায় গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকে টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এরশাদ আলী ইশা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান ও সিভিল সার্জন এস আই রাজিউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘নিয়মতান্ত্রিকভাবে টিকা দান কর্মসূচি পরিচালিত হবে। আমরা পর্যায়ক্রমে সব শিশুকে টিকার আওতায় আনবো।’জেলা পরিষদের প্রশাসক এরশাদ আলী ঈশা বলেন, ‘হামের প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।’সিভিল সার্জন এস আই রাজিউল ইসলাম জানান, হামে যারা আক্রান্ত হয়েছে, তাদের টিকার আওতায় আনা হবে না। যারা সুস্থ তারা হামের টিকা পাবেন। যারা আক্রান্ত তাদের ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।তিনি জানান, এই টিকা শতভাগ নিরাপদ। এটি নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই।
Go to News Site