Collector
কোন প্রযুক্তিতে একের পর এক মার্কিন সামরিক বিমান ফেলে দিচ্ছে ইরান? | Collector
কোন প্রযুক্তিতে একের পর এক মার্কিন সামরিক বিমান ফেলে দিচ্ছে ইরান?
Somoy TV

কোন প্রযুক্তিতে একের পর এক মার্কিন সামরিক বিমান ফেলে দিচ্ছে ইরান?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংস করার দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই দাবিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে ইরান। গেল ২০ বছরে মার্কিন বিমান বাহিনীর ওপর এমন বড় আঘাত আর দেখা যায়নি।সম্প্রতি ইরানি ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ট্রাম্প যখন দাবি করছেন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার সক্ষমতা শেষ হয়ে গেছে, ঠিক তখনই এমন হামলা মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। মার্কিন ও ইসরাইলি হামলায় ইরানের বেশিরভাগ রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় তারা এখন বিকল্প কৌশলে এগোচ্ছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রকাশিত ফুটেজ অনুযায়ী, তারা এখন রাডারের বদলে ইলেকট্রো-অপ্টিক্যাল বা ইনফ্রারেড সেন্সর ব্যবহার করছে। এই প্রযুক্তি মূলত বিমানের ইঞ্জিনের তাপ বা ঘর্ষণের ফলে তৈরি হওয়া তাপ শনাক্ত করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। রাডার সংকেত না থাকায় মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো এই হামলার আগাম সতর্কতা পাচ্ছে না। এই অভিযানে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি স্বল্প পাল্লার ‘মজিদ’ মিসাইল সিস্টেম বড় ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সিস্টেমটি রাডার ছাড়াই ১৫ কিলোমিটার দূর থেকে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে। ৬ কিলোমিটার উচ্চতায় থাকা ড্রোন বা যুদ্ধবিমানকে উচ্চ গতিতে ধাওয়া করে ধ্বংস করতে সক্ষম এই প্রযুক্তি।  আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সি-১৩০ বিমান ও দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ধ্বংস করা হয়েছে: আইআরজিসি যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক জ্যামিং বা ফ্লেয়ার প্রযুক্তি ব্যবহার করেও অনেক ক্ষেত্রে এই মিসাইলকে ফাঁকি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বিশ্লেষকেরা বলছেন, গত এক মাসে মার্কিন বাহিনী ইরানে ১৩ হাজারের বেশি অভিযান পরিচালনা করলেও ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি অংশ এখনও কার্যকর রয়ে গেছে। বিশেষ করে ইসফাহান, সিরাজ এবং বন্দর আব্বাসের মতো কৌশলগত এলাকায় নিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-নাইট রিপার ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করছে ইরান। এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে, সামরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও তেহরান এখনও আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীর জন্য বড় হুমকি হিসেবে টিকে আছে।

Go to News Site