Collector
হাসপাতালে ভর্তি হামেস, বিশ্বকাপের আগে দুশ্চিন্তায় কলম্বিয়া | Collector
হাসপাতালে ভর্তি হামেস, বিশ্বকাপের আগে দুশ্চিন্তায় কলম্বিয়া
Somoy TV

হাসপাতালে ভর্তি হামেস, বিশ্বকাপের আগে দুশ্চিন্তায় কলম্বিয়া

যুক্তরাষ্ট্রে কঠিন সময় পার করছেন হামেস রদ্রিগেজ। ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে কলম্বিয়ার হয়ে হারের পর ডিহাইড্রেশনের কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। হাসপাতালে তিন দিন ভর্তি থাকার পর অবস্থার উন্নতি হলেও তার পুরোপুরি সুস্থ হতে কত সময় লাগবে তা এখনও অনিশ্চিত। এরই মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যখন ক্লাব মিনেসোটা ইউনাইটেডের হয়ে এলএ গ্যালাক্সির বিপক্ষে রোববার (৫ এপ্রিল) ম্যাচে খেলতে না পারায়।গত ফেব্রুয়ারিতে এমএলএসের ক্লাবটিতে যোগ দিয়েছিলেন হামেস। ক্লাবটি জানায় যে তিনি পেশির 'গুরুতর' সমস্যায় ভুগছেন। তবে বিস্তারিত তথ্য না থাকায় বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের জল্পনা তৈরি হয়েছে।প্রথমে কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন জানায়, এই তারকা খেলাধুলা-সম্পর্কিত নয় এমন কারণে গুরুতর ডিহাইড্রেশনে ভুগেছিলেন। এর সঙ্গে পরবর্তীতে পেশির চোটও যুক্ত হয়েছে, যা আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দক্ষিণ আমেরিকার দলটির জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। তবে জানা গেছে, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে থেকে তাকে কঠোর পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। আরও পড়ুন: সাফ চ্যাম্পিয়নদের জন্য মোটা অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার ঘোষণাবিশ্বকাপ আর মাত্র দুই মাস দূরে। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সে এখনো নিজের সেরা অবস্থায় নেই হামেস। সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বিরতিতে ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে দুটি খেলাতেই ৬৩ মিনিট খেলে বদলি হন। এতে স্পষ্ট হয়েছে যে, বিশ্বকাপের মতো উচ্চ পর্যায়ের প্রতিযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় ফিটনেস এখনো তার পুরোপুরি ফিরে আসেনি।খেলায় ফিটনেস ও পারফরম্যান্স একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একজন খেলোয়াড় শারীরিকভাবে প্রস্তুত না থাকলে তার প্রকৃত দক্ষতা ও সামর্থ্য প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে।হামেসের ব্যক্তিগত দক্ষতা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তিনি কলম্বিয়ান ফুটবলের এক প্রজন্মসেরা প্রতিভা হিসেবে উঠে এসেছিলেন। এফসি পোর্তোতে খেলার পর ২০১৪ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স তাকে রিয়াল মাদ্রিদে নিয়ে যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি দেশের অন্যতম বড় আইকনে পরিণত হয়েছেন। আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে নিয়ে পরবর্তী লক্ষ্যের কথা জানালেন রোনান-ডেক্লানরাবর্তমানে নিজের ফিটনেস ও ম্যাচ রিদম ফিরে পাওয়ার জন্য তার সামনে সবচেয়ে বড় সুযোগ হচ্ছে নিয়মিত খেলা। গত ফেব্রুয়ারিতে তিনি মিনেসোটা ইউনাইটেডে যোগ দেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি ম্যাচে মোট ৪১ মিনিট খেলেছেন। মৌসুম শেষ হওয়ার আগে তার হাতে আরও ১০টি ম্যাচ খেলার সুযোগ আছে, যেখানে সর্বোচ্চ প্রায় ৯০০ মিনিট মাঠে থাকা সম্ভব, যা তাকে বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত করতে যথেষ্ট হতে পারে। ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা প্রমাণ করে, জেমস এখনো দলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তখন তিনি সাও পাওলোর হয়ে খেলতেন এবং টুর্নামেন্টে কলম্বিয়ার সেরা খেলোয়াড় ছিলেন। যদিও তার দল শিরোপা জিততে পারেনি, তিনি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় (এমভিপি) হন।

Go to News Site