Collector
মাদ্রাসা থেকে এসে প্রচন্ড গরমের কারণে পুকুরে নেমেছিলেন ২ ভাই, একজনও বাঁচল না | Collector
মাদ্রাসা থেকে এসে প্রচন্ড গরমের কারণে পুকুরে নেমেছিলেন ২ ভাই, একজনও বাঁচল না
Somoy TV

মাদ্রাসা থেকে এসে প্রচন্ড গরমের কারণে পুকুরে নেমেছিলেন ২ ভাই, একজনও বাঁচল না

প্রচন্ড গরম সহ্য করতে না পেরে বাড়ির পুকুরে নেমে পড়ে আপন দুই ভাই। কিন্তু যেই স্বস্তির জন্য এই কাজ সেখানেই নির্মমভাবে প্রাণ হারাতে হলো তাদের।এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের রূপসা উত্তর ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে। ওই দুই শিশু হলো ইয়াসিন (৮) ও রাসেল (৬)।  আপন এই দুই ভাইয়ের বাবা ও মা হচ্ছেন আবুল বাশার ও শাহীনা বেগম। মৃত শিশুদের পরিবারের বরাত দিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জানান, ‘স্থানীয় একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ইয়াসিন ও রাসেল পড়াশোনা করতো। প্রতিদিনের মতো রোববার দুপুরে তারা মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে এসে বাড়ির পুকুরে গোসল করতে নামে। এসময় তাদের মা সাংসারিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তারা পুকুর থেকে উঠে না আসায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা দেখেন, দুই ভাইয়ের মরদেহ পানিতে ভেসে আছে। পরে পরিবারের স্বজনরা মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেন। তিনি আরও বলেন, আবুল বাশার ও শাহীনা বেগম দম্পতির আর কোনো সন্তান নেই। একসঙ্গে দুই শিশু সন্তানকে হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।এ ঘটনায় শুধু পরিবারেই নয় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আরও পড়ুন: পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে করণীয় একসঙ্গে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মুজাম্মেল হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বর্তমান সময়ে অতিরিক্ত গরম পড়ছে। এ সময় সাঁতার না জানা শিশুরা একটু ঠান্ডা পেতে পুকুরে বা ডোবায় নেমে দুর্ঘটনার শিকার হয়। শিশুদের বাবা-মা ও পরিবারের লোকজন সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি। তাছাড়া এমন দুর্ঘটনা এড়াতে শিশুদের গতিবিধি প্রতিও লক্ষ্য রাখতে হবে বলে জানান তিনি। আরও পড়ুন: ডুবুরি না থাকায় বরগুনায় বাড়ছে পানিতে ডুবে মৃত্যুর হার এ বিষয় ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, দুই শিশু পানিতে ডুবে মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে জেনেছি। তবে এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

Go to News Site