Collector
হাম মোকাবিলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাসপাতালে ‘বিশেষ আইসোলেশন সেন্টার’ | Collector
হাম মোকাবিলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাসপাতালে ‘বিশেষ আইসোলেশন সেন্টার’
Somoy TV

হাম মোকাবিলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাসপাতালে ‘বিশেষ আইসোলেশন সেন্টার’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জরুরি হাম-রুবেলা টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ।এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. নোমান মিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রতন কুমার ঢালী ও আবাসিক চিকিৎসক গোপা পালসহ হাসপাতালের সিনিয়র নার্সরা উপস্থিত ছিলেন। টিকা কার্যক্রমে উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৫১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। হাম রুবেলার প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে বিশেষ আইসোলেশন সেন্টার খোলা হয়েছে।এদিকে মৌসুমী এই ছোঁয়াচে রোগের টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন হওয়ায় এবং চাহিদা অনুযায়ী টিকা পাওয়া স্বস্তি প্রকাশ করেছেন শিশুদের অভিভাবকেরা। হাসপাতালে নিজ কন্যা শিশুকে টিকা নিতে আসা লিপি নাগ জানান, যেভাবে দ্রুত রোগটি ছড়াচ্ছে আতঙ্কের কারণ বটে। তবে মধ্যে টিকার ব্যবস্থা করায় অনেকটাই ভালো হয়েছে। তিনি আরও জানান,এ ব্যাপারে সরকারকে যথাযথ কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। নিজ সন্তানকে টিকা দেওয়ার পর আইয়ুব রহমান জানান, রোগের প্রাদুর্ভাব ছড়ানোর আগে এ বিষয়ে যথাযথ প্রস্তুতি থাকা উচিত ছিল। ইতোমধ্যে রোগটি ছড়িয়েছে। নতুন করে যেন আর ছড়াতে না পারে সে ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। তবে প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির সাথে সাথে ব্যবস্থা নেওয়া বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১১এ ব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জন ডা. নোমান মিয়া ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নোমান মিয়া জানান, ঝুঁকিপূর্ণ জেলার তালিকায় এখন পর্যন্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাম নেই। তারপরও  ছয় মাস বয়স থেকে দু বছর পর্যন্ত শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল ও ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস পর্যন্ত বয়সের শিশুদেরকে এআর ঠিকা দেয়া হচ্ছে। হাম-রুবেলা নিয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। মোট ৫০ হাজার বেশি এমআর টিকা রয়েছে। দেড়লাখের বেশি ভিটামিন এ ক্যাপসুল মজুদ রয়েছে। এ নিয়ে ভয় কিংবা আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। সিভিল সার্জন ডা. নোমান মিয়া জানান,"যতক্ষণ পর্যন্ত টিকা মজুদ আছে ততক্ষণ পর্যন্ত এই টিকা কার্যক্রম চলমান থাকবে।

Go to News Site