Collector
তনু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব | Collector
তনু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব
Jagonews24

তনু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব

কুমিল্লার বহুল আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে। মামলার তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না থাকায় তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলামকে সোমবার (৬ এপ্রিল) আদালতে তলব করা হয়েছে। এদিকে দীর্ঘ দশ বছরেও হত্যার বিচার না পাওয়া তনুর পরিবার নতুন করে ন্যায়বিচারের আশা করছে। কুমিল্লার সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে সম্প্রতি মামলার অগ্রগতি জানতে চেয়ে পিবিআইকে চিঠি দেওয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার তদন্ত কর্মকর্তার আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার কথা রয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আদালত মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আদালতে তদন্তের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হবে। তবে এখনই চার্জশিট হচ্ছে না বলেও এ কর্মকর্তা জানান। দীর্ঘ ১০ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো হত্যাকারী শনাক্ত না হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন তনুর বাবা ও মামলার বাদী ইয়ার হোসেন। তিনি বলেন, মেয়ে হত্যার ১০ বছর পার হয়ে গেছে। অসংখ্যবার বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সাক্ষ্য দিয়েছি, কিন্তু এখনও কোনো ফল পাইনি। নতুন সরকারের কাছে দাবি অন্তত মরার আগে মেয়ে হত্যার বিচার দেখে যেতে চাই। আদালত তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করায় তিনিও আজ সশরীরে আদালতে উপস্থিত থাকবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। এর আগে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু। পরদিন সেনানিবাসের পাওয়ার হাউস সংলগ্ন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তনুর বাবা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। শুরুতে থানা-পুলিশ তদন্ত করলেও পরে মামলাটি ডিবি ও সিআইডির কাছে হস্তান্তর করেন। কোনো সংস্থা দৃশ্যমান অগ্রগতি করতে না পারায় ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলাটি পিবিআইতে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে এটি ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তার অধীনে রয়েছে। গত বছরের ৭ এপ্রিল সর্বশেষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও বাদীর বক্তব্য গ্রহণ করেছিল পিবিআই। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে নতুন করে আদালতে তলব করায় তনুর পরিবারসহ সাধারণ মানুষের মনে পুনরায় আশার সঞ্চার হয়। কুমিল্লাবাসীর দৃষ্টি এখন আদালতের পরবর্তী নির্দেশনার দিকে। জাহিদ পাটোয়ারী/এনএইচআর/এএসএম

Go to News Site