Collector
সূচক বাড়লেও লেনদেনের গতি আরও কমেছে | Collector
সূচক বাড়লেও লেনদেনের গতি আরও কমেছে
Jagonews24

সূচক বাড়লেও লেনদেনের গতি আরও কমেছে

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (৬ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতে দেশের শেয়ারবাজারে বড় উত্থান দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত দাম কমার তালিকা বড় হয়েছে। এরপরও প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচক বেড়েছে। তবে ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। তিনশোর বেশি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার কারণে লেনদেনের একপর্যায়ে ডিএসই প্রধান মূল্যসূচক ৭০ পয়েন্টের ওপরে বেড়ে যায়। লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টা সূচকের বড় উত্থান প্রবণতা অব্যাহত থাকে। কিন্তু দুপুর ১২টার পর বাজারের চিত্র বদলে যায়। দাম বাড়ার তালিকা থেকে একের পর এক প্রতিষ্ঠান দাম কমার তালিকায় চলে আসে। লেনদেনের শেষ দিকে দরপতনের মাত্রা বেড়ে যায়। এতে দাম কমার তালিকা বড় হয়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৪৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৭২টির। আর ৬৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৮৭টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৭৬টির দাম কমেছে এবং ৩৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ২৬টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৪১টির এবং ১৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৬টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৫৫টির এবং ১৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৩টির দাম বেড়েছে, ৬টির কমেছে এবং ১৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পরও ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১২২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৫৪ পয়েন্টে উঠে এসেছে। তবে ডিএসই শরিয়াহ সূচক দশমিক ৭৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। প্রধান মূল্যসূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৪৭০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৫১১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন কমেছে ৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা। এ লেনদেনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিংয়ের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৫ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা একমি পেস্টিসাইডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ৬১ লাখ টাকার। ১৫ কোটি ১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সামিট এলায়েন্স পোর্ট। এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, টেকনো ড্রাগস, জিকিউ বলপেন, লাভেলো আইসক্রিম, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, জনতা ইন্স্যুরেন্স ও রানার অটোমোবাইল। অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৮ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৭৩ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৩টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৮৬টির এবং ২৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এমএএস/এমকেআর

Go to News Site