Collector
ইরানের খারগ দ্বীপে আবারও হামলা | Collector
ইরানের খারগ দ্বীপে আবারও হামলা
Somoy TV

ইরানের খারগ দ্বীপে আবারও হামলা

পারস্য উপসাগরের উত্তরে অবস্থিত ইরানের প্রধান তেল রফতানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনী।মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মেহের এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, পারস্য উপসাগরে ইরানের তেল রফতানির প্রধান কেন্দ্র খারগ দ্বীপে একাধিক হামলা চালানো হয়েছে। মেহের নিউজ খারগ দ্বীপে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে আর কোনো তথ্য সরবরাহ করেনি। যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইল তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কিছু বলেনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েকবার খারগ দ্বীপেবোমা হামলা বা এটি দখল করার হুমকি দিয়েছেন। গত ৩০ মার্চ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, তেলের কূপ এবং খারগ দ্বীপ’ ধ্বংস করে দিতে পারে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর খারগ দ্বীপে এর আগে কয়েক দফা হামলা চালিয়েছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। আরও পড়ুন: যেভাবে ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের চেষ্টা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র এ হামলার খবর এমন সময় এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন যে, ইরানের শাসকগোষ্ঠী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় রাত ৮টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে মুক্ত চলাচলের অনুমতি না দিলে তিনি দেশটির বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাবেন। দীর্ঘদিন ধরেই খারগ দ্বীপ ইরানের তেল রফতানির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। দ্বীপটি উপকূল থেকে কিছুটা দূরে এমন এক গভীর জলসীমায় অবস্থিত, যেখানে ‘ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার’ (ভিএলসিসি) নামক বিশাল তেলের ট্যাঙ্কারগুলো সহজেই ভিড়তে পারে। এই ট্যাঙ্কারগুলোর প্রতিটিতে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা যায়। ইরানের তেল রফতানির প্রায় ৯০ শতাংশই খারগ দ্বীপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। আরও পড়ুন: হুমকির পর ইরানের রেল সেতুতে ইসরাইলের হামলা, নিহত ২ এদিকে, যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের ১৩ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ তথ্য জানায়। পোস্টে সেন্টকম দাবি করে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ইরানের ১৫৫টির বেশি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস করা হয়েছে।

Go to News Site