Jagonews24
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের স্থগিত হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বেঁধে নেওয়া সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার পর থেকে সব ধরনের জনসভা, মিছিল ও শোভাযাত্রাসহ সব প্রকার প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রচারণার শেষ সময়ে প্রার্থীদের ব্যাপক গণসংযোগ, পথসভা ও উঠান বৈঠকে সরগরম ছিল নির্বাচনি এলাকা। ভোটারদের টানতে নানান প্রতিশ্রুতি দেন প্রার্থীরা। আগামী বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এই আসনে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও তার আগেই ৩ ফেব্রুয়ারি জামায়াত মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যু হওয়ায় এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। ফলে ১২ তারিখের ভোট উৎসবে শামিল হতে পারেননি এ এলাকার ভোটাররা। তাই ৯ এপ্রিলের নির্বাচনে ভোট দিতে মুখিয়ে রয়েছেন তারা। জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, শ্রীবরদী উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে শেরপুর-৩ আসন গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি নারী ভোটার। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, র্যাব, বিজিবিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে বসানো হচ্ছে সিসিটিভি ক্যামেরা। এছাড়াও থাকছে পুলিশের বডিওর্ন ক্যামেরা। এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জাগো নিউজকে জানান, শেরপুর-৩ আসনের দুটি উপজেলায় মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে গারো পাহাড়ি এলাকার ৩২টি কেন্দ্রকে দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মো. নাঈম ইসলাম/এমএন/এমএস
Go to News Site