Somoy TV
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচনা করেছেন দেশটির বিরোধী দলে ইয়েশ আতিদ পার্টির নেতা ইয়ার লাপিদ। তিনি বলেছেন, ইসরাইলকে আলোচনার টেবিলে রাখা হয়নি। এটা ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিপর্যয়।পরমাণু ইস্যুতে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক আগ্রাসন শুরু করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে ওইদিনই ইসরাইলের পাশাপাশি উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান। সেই সঙ্গে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নেয় দেশটির সেনাবাহিনী। সংঘাতের প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পর পাকিস্তানের মধ্যস্থাতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। যা ইরান ও মার্কিন উভয় পক্ষই নিশ্চিত করেছে। আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এক এক্স পোস্টে জানান, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এবং তাদের মিত্ররা যুদ্ধবিরতিতে একমত হয়েছে। যা লেবানন ও অন্যসব রণাঙ্গনে কার্যকর হবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তে সমর্থন জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যদিও তিনি বলছেন, এই যুদ্ধবিরতিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।’ আরও পড়ুন: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মধ্যে লেবানন নেই, বলছেন নেতানিয়াহু এই যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ইসরাইলের জন্য বড় বিপর্যয় বলে অভিহিত করেছেন দেশটির বিরোধী দলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ। এক এক্স বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সমগ্র ইতিহাসে এত বড় রাজনৈতিক বিপর্যয় আগে কখনও ঘটেনি। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার মূল বিষয় নিয়ে যখন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তখন ইসরাইল আলোচনার টেবিলেই ছিল না।’ লাপিদ বলেন, ‘সেনাবাহিনী তাদের কাছে যা চাওয়া হয়েছিল সবই করেছে, জনগণ অসাধারণ ধৈর্য ও সহনশীলতা দেখিয়েছে। কিন্তু নেতানিয়াহু রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন, কৌশলগতভাবে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তিনি নিজে যে লক্ষ্যগুলো ঠিক করেছিলেন, তার একটিও অর্জন করতে পারেননি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘অহংকার, অবহেলা ও কৌশলগত পরিকল্পনার অভাবের কারণে নেতানিয়াহু যে রাজনৈতিক ও কৌশলগত ক্ষতি করেছেন, তা ঠিক করতে আমাদের অনেক বছর সময় লাগবে।’ আরও পড়ুন: ১০ দফা পরিকল্পনা / ইরানের শর্ত মেনেই কি শেষ হচ্ছে যুদ্ধ, কী কী আছে প্রস্তাবে?
Go to News Site