Collector
৫৬ গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ, ব্যাংক কর্মকর্তাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড | Collector
৫৬ গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ, ব্যাংক কর্মকর্তাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড
Somoy TV

৫৬ গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ, ব্যাংক কর্মকর্তাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে রূপালী ব্যাংকের একটি শাখার ৫৬ জন গ্রাহকের স্বাক্ষর জাল করে প্রায় ৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে সাবেক এক ব্যাংক ব্যবস্থাপককে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আত্মসাৎকৃত সমপরিমাণ অর্থ তাকে জরিমানা করা হয়েছে।বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে নোয়াখালী বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. ইদ্রিস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম মো. বেলায়েত হোসেন। তিনি রূপালী ব্যাংক পিএলসির আমিশাপাড়া শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক ছিলেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, মো. বেলায়েত হোসেন ২০১২ সালের ২১ অক্টোবর থেকে ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত ওই শাখায় কর্মরত ছিলেন। এ সময় তিনি ৫৬ জন গ্রাহকের স্বাক্ষর জাল করে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯৪ টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন ও স্থানান্তর করে আত্মসাৎ করেন। পরে দুদকের তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হলে মামলাটি আদালতে গড়ায়। আরও পড়ুন: পুকুর নয়, গাইবান্ধা কৃষি বিভাগে ‘সাগর চুরি’ মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে বিচারক মো. বেলায়েত হোসেনকে তিনটি পৃথক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন। এর মধ্যে ৪০৯ ধারায় ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৪৬৭ ধারায় ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া আত্মসাৎকৃত সমপরিমাণ অর্থাৎ ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯৪ টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত। দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট মো. জহির উদ্দিন জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামি মো. বেলায়েত হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তার অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করা হয় এবং আসামির বিরুদ্ধে দ্রুত 'সাজা পরোয়ানা' বা অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারে আইনি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

Go to News Site