Collector
কেন বিসিকের নতুন শিল্পনগরী-পার্ক বিমুখ হচ্ছেন উদ্যোক্তারা? | Collector
কেন বিসিকের নতুন শিল্পনগরী-পার্ক বিমুখ হচ্ছেন উদ্যোক্তারা?
Somoy TV

কেন বিসিকের নতুন শিল্পনগরী-পার্ক বিমুখ হচ্ছেন উদ্যোক্তারা?

২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ১৩টি নতুন শিল্পনগরী ও শিল্পপার্ক গড়ে তুলেছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)। তবে এই সব বিসিকে এখনও খালি রয়েছে ৮১২টি প্লট।উদ্যোক্তারা বলছেন, স্থানীয় জমির তুলনায় প্লটের দাম বেশি হওয়ায় তারা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এছাড়া যথাযথ অবকাঠামো উন্নয়নের অভাবও একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। ২০২১ সালে মুন্সিগঞ্জের ইছামতী নদীর তীরে গড়ে ওঠে বিসিক- বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদন ও হালকা প্রকৌশল শিল্পনগরী। তবে চার বছর পার হওয়ার পরও এখনো ৩২৭টি প্লট বরাদ্দের অপেক্ষায়। বিসিকের পক্ষ থেকে একাধিকবার প্লট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি দেয়ার পরও স্থানীয় উদ্যোক্তারা জমির তুলনায় উচ্চ দামের কারণে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। তারা বলছেন, মোল্লাবাজার ব্রিজ না হওয়ায় শিল্পনগরীটি বন্ধ হয়ে আছে এবং তাই চালু হতে পারছে না। অন্যদিকে ২০২২ সালে গড়ে ওঠে রাজশাহী-২ বিসিক শিল্পনগরী, যা প্রায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ একর জমির ওপর নির্মিত হয়েছে। এটির ৭৫ শতাংশ প্লট এখনও বরাদ্দের বাইরে। স্থানীয় উদ্যোক্তারা বলেন, প্লটের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি এবং এটি হয়তো ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। দাম কম হলে অনেকেই এই সুযোগ নিতেন। এছাড়া রাজশাহীতে নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকায় শিল্প গড়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়েছে। আরও পড়ুন: নামেই শিল্পনগরী, বাস্তবে প্রায় জনশূন্য কুড়িগ্রাম বিসিক এমন অবস্থায় ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে গড়ে তোলা ১৩টি শিল্পনগরী ও শিল্পপার্কের মধ্যে অর্ধেকের বেশি ৭টিতে এখনও খালি রয়েছে ৭৭৭টি প্লট। উদ্যোক্তারা মনে করেন যথাযথ পরিকল্পনার অভাব এবং অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ না হওয়ায় কারখানা স্থাপনে ব্যবসায়ীদের আগ্রহ কম। বিসিক জানিয়েছে, দেশের সব জায়গা শিল্পবান্ধব নয় এবং সব জায়গায় বিচার-বিশ্লেষণ করে শিল্পনগরী স্থাপনের সিদ্ধান্তও নেয়া হয়নি। তারপরও উদ্যোক্তাদের আকৃষ্ট করতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, শিল্পনগরী স্থাপনের সময় অনেক জায়গায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের চাহিদা বা এলাকার মানুষের কমন চাহিদা থাকে। বিসিকের ম্যান্ডেটও রয়েছে এলাকার সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা। তাই অনেক জায়গায় শিল্পনগরী স্থাপন করা হলেও বাস্তবে সেখানে কারখানা স্থাপনের মতো উপযোগী উদ্যোক্তা পাওয়া যায় না। বিসিকের সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু মন্ত্রণালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

Go to News Site