Somoy TV
দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচনের বিধান বাদ দিয়ে জাতীয় সংসদে পাস হলো সংশোধনী বিল। এর আগে সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় ও বিচারক নিয়োগ রহিতকরণ বিলও পাস হয়।আপত্তি সত্ত্বেও স্থানীয় সরকার সংশোধন বিল পাস হওয়ার পর যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও গণবিরোধী আইন পাস হচ্ছে অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো ওয়াকআউট করলো বিরোধী দল। এ সময় আইন প্রণয়নের সব প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পর ওয়াকআউটের মানে আছে কি-না প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে জেলা পরিষদ বিল, স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশন সংশোধন বিলে আপত্তি জানান বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা। আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার সংসদে যে ৩১ বিল পাস এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, এই আইন না হলে দায়িত্বে ফিরবে ফ্যাসিবাদের দোসররা। এই আইনের আওতায় দলীয় প্রতীক ছাড়া ইউনিয়ন এবং পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিল উত্থাপিত হলে মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞা থেকে জামায়াতে ইসলামীর নাম দেয়ার আহ্বান জানান জামায়াত আমির। তিনি বলেন, এই বিলে যে প্রস্তাবনা আনা হয়েছে, স্বাধীনতার পর তখনকার শাসকরাও তা আনেননি। পরবর্তীকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বছরের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনিও জানান, দলীয় প্রতীক ছাড়া হবে স্থানীয় নির্বাচন। আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল পাস এদিন সকালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ও বিচারক নিয়োগ রহিতকরণ বিল পাস হয়। অধিবেশন চলে রাত ৮টা পর্যন্ত। পরে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ১০টা পর্যন্ত মূলতবি করা হয় অধিবেশন।
Go to News Site