Somoy TV
মার্কিন বাহিনীর সবচেয়ে দামি নজরদারি ড্রোন ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ আকাশে জরুরি সতর্কতা ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই শুক্রবার (১০ এপ্রিল) হরমুজ প্রণালীর ওপর থেকে ‘নিখোঁজ’ হয়ে গেছে।প্রতিবেদন অনুসারে, ড্রোনটি পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীতে প্রায় তিন ঘণ্টার নজরদারি সম্পন্ন করে ইতালির সিগোনেলা নৌ বিমান ঘাঁটিতে ফিরছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনলাইন ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪ বলছে, ড্রোনটি ইরানের দিকে সামান্য মোড় নেয়ার পর ৭৭০০ (সাধারণ জরুরি অবস্থার জন্য) কোড পাঠিয়ে নিচে নামতে শুরু করে। চালকবিহীন বিমানটিকে ‘অদৃশ্য’ হওয়ার আগে দ্রুত উচ্চতা হারাতে দেখা যায়। ছবি: ফ্লাইটরাডার২৪ ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। আরও পড়ুন: হরমুজ দিয়ে দিনে সর্বোচ্চ ১৫টি জাহাজ অতিক্রম করতে দেবে ইরান! যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে সমঝোতা হওয়ার দুই দিন পর ড্রোনটি নিখোঁজ হলো। জানা যায়, এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোনটির মূল্য ২০০ মিলিয়ন বা ২০ কোটি ডলারেরও বেশি এবং এটিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এলাকার জন্য মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রচলিত আকাশযান থেকে ভিন্ন, ট্রাইটন সংকীর্ণ জলপথের ওপর দীর্ঘক্ষণ ধরে কৌশলগত নজরদারি করতে সক্ষম। এটি অবিরাম ও বৃহৎ পরিসরের সামুদ্রিক নজরদারির জন্য নির্মিত এবং প্রায়শই পি-৮এ পোসাইডন টহল বিমানের ‘চোখ’ হিসেবে কাজ করে। ট্রাইটন একমাত্র উচ্চ-উচ্চতা ও দীর্ঘ-সহনশীলতা সম্পন্ন (HALE) সামুদ্রিক বিমান, যা ৫০ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ৭ হাজার ৪০০ নটিক্যাল মাইল পাল্লায় উড়তে সক্ষম। আরও পড়ুন: ইরানি আলোচক দলের পাকিস্তানে যাওয়ার খবর ‘মিথ্যা’: রিপোর্ট প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল নাগাদ মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে ২০টি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোন ছিল এবং আরও সাতটি ড্রোন কেনার পরিকল্পনা আছে। সূত্র: এনডিটিভি
Go to News Site