Somoy TV
পাঁচ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসলামাবাদ।শনিবার (১১ এপ্রিল) এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। এখন বৈঠকের বিস্তারিত এজেন্ডাগুলো চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এরই মধ্যে বৈঠকে সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীদের নাম প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানি কর্মকর্তারা। তবে অংশগ্রহণকারীদের নামের তালিকায়ও পরিবর্তিন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ব্যবধান এখনো অনেক বড়। ওয়াশিংটনের প্রস্তাবিত ১৫ দফা পরিকল্পনার মূল বিষয়গুলো হলো—ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেয়া। অন্যদিকে তেহরান ১০ দফা পরিকল্পনা দিয়েছে, যেখানে তারা প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ, এর মধ্যদিয়ে যাওয়া জাহাজের ওপর টোল আরোপ, সব আঞ্চলিক সামরিক অভিযান বন্ধ এবং সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি করেছে। আরও পড়ুন: হাজার হাজার পুলিশ মোতায়েন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকের আগে ইসলামাবাদ যেন দুর্গ লেবাননও একটি বড় জটিল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরাইল দেশটিতে ব্যাপক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের বক্তব্য, যুদ্ধবিরতির মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পাকিস্তানের তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। নেতানিয়াহুর সাথে সুর মিলিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও। তিনি বলেছেন, ইরানের পক্ষ থেকে লেবানন বিষয়টি নিয়ে ‘যৌক্তিক ভুল বোঝাবুঝি’ হয়ে থাকতে পারে। তবে এ নিয়ে যুদ্ধবিরতি আলোচনা এড়িয়ে যাওয়া তাদের জন্য ‘বোকামি’ হবে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এক এক্স বার্তায় সতর্ক করে বলেছেন, লেবাননে ইসরাইলের হামলা চলতে থাকায় এই আলোচনা ‘অর্থহীন’ হয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের হাত এখনও ট্রিগারেই রয়েছে। ইরান কখনোই তাদের লেবাননের ভাই-বোনদের ত্যাগ করবে না।’ আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতি আলোচকদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা দেবে পাকিস্তান তথ্যসূত্র: খালিজ টাইমস
Go to News Site