Jagonews24
মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান জোটটির ঐক্যে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সম্প্রতি ট্রাম্প ন্যাটো মিত্রদের ইরান যুদ্ধের সময় সমর্থন না দেওয়াকে জোটের জন্য একটি স্থায়ী দাগ বলে মন্তব্য করেন। জার্মানির চ্যান্সেলর একে ট্রান্স-অ্যাটলান্টিক সম্পর্কের বড় পরীক্ষা হিসেবে আখ্যা দেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে হুট করে ন্যাটো থেকে বের হতে পারবে না। এর জন্য সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন বা কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি বের না হয়েও জোটকে দুর্বল করতে পারে—যেমন ইউরোপ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করা বা সমন্বিত প্রতিরক্ষা কার্যক্রম কমিয়ে দেওয়া। ইউরোপের নির্ভরতা ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের প্রতিরক্ষা দুর্বলতা উপলব্ধি করেছে। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিরক্ষা ব্যয় বেড়েছে, তবুও গোয়েন্দা তথ্য, স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় তারা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলে ন্যাটো দুর্বল হয়ে পড়বে, তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা কম। ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থেই জোটটিকে টিকিয়ে রাখতে চাইবে। তাছাড়া বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ন্যাটো শুধু ইউরোপের জন্য নয়—যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ৯/১১-এর ভয়াবহ হামলার পর জোটটি যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি সহায়তা করেছিল। সূত্র: আল-জাজিরা এমএসএম
Go to News Site