Somoy TV
বরেণ্য অভিনয়শিল্পী আলমগীর। পারিবারিক, সামাজিক, অ্যাকশন, রোমান্টিক, ফোক, ফ্যান্টাসিসহ নানা ধরনের চলচ্চিত্রের একজন সফল অভিনেতা তিনি। প্রযোজক, পরিচালক আর গায়ক হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছেন। বাংলা সিনেমার চিরসবুজ এই নায়কের মারণব্যাধি ক্যানসার ধরা পড়ে ১৯৯০ সালে। সেই গল্প হয়তো অনেকেরই অজানা।সম্প্রতি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে নতুন করে উঠে আসে নায়কের ক্যানসার জয়ের গল্প। তিনি জানান, ১৯৯০ সালে তার শরীরে কর্কট রোগ ধরা পড়ে।ক্যানসার ধরা পড়ার পর আলমগীর ৮ মাস লন্ডনে চিকিৎসা নেন। এরপর ধীরে ধীরে নিজের শরীরে ক্যানসারকে জয় করেন।তিনি বলেন, ক্যানসার আক্রান্ত রোগীরা একপর্যায়ে নিজেকে খুবই অসহায় মনে করেন। এটা জয় করতে পারাটা অসম্ভব মনের জোরের প্রয়োজন। আরও পড়ুন: ‘অনন্ত ভালোবাসা’য় ফেরদৌসের সঙ্গে অভিনয়ে রাজি হননি শাবনূর, কেন জানেন?নায়ক ক্যানসার আক্রান্ত সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ান সবসময় নিজের সামর্থ দিয়ে। নিজের অবস্থানটা খুব করে অনুভব করন তখন।বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি সময়ের অন্যতম নায়ক আলমগীর শুধু অভিনয়েই থেমে থাকেননি। প্রযোজনা, পরিচালনা, এমনকি সংগীতেও রেখেছেন স্বাক্ষর।ব্যক্তিজীবনে তিনি একজন গর্বিত বাবা। মেয়ে আঁখি আলমগীর দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী—যদিও মেয়েকে চিকিৎসক হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। জীবনের এই ভিন্ন পথে হাঁটাকে এখন স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেছেন। আরও পড়ুন: চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন সোহেল রানাবাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা আলমগীরের জন্ম ১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল। ৫ দশকের বেশি সময় ধরে ২৩০টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করে রেকর্ড ৯ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৭৩ সালে 'আমার জন্মভূমি' দিয়ে অভিষেক ঘটা এই বরেণ্য অভিনেতা অ্যাকশন, রোমান্টিক ও সামাজিক সব ধরনের চরিত্রে সফল।
Go to News Site