Collector
মুকুলের বাবা ছেলের স্বপ্ন পূরণ করার পথে জেলও খেটেছেন | Collector
মুকুলের বাবা ছেলের স্বপ্ন পূরণ করার পথে জেলও খেটেছেন
Somoy TV

মুকুলের বাবা ছেলের স্বপ্ন পূরণ করার পথে জেলও খেটেছেন

মুকুল চৌধুরিকে চেনেন এমন মানুষের সংখ্যাটা এখন কত? কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ২৭ বলে নায়কোচিত ৫৪ রানে রাতারাতি তারকা বনে গেছেন তিনি। মুকুল এই রান করেছেন যখন শেষ ২৪ বলে লখনৌর ৫৪ রান দরকার। এই ৫৪ রানের মধ্যে সতীর্থ আভেস খান করেন কেবল ১ রান।মনে হতে পারে, আইপিএলের ইম্প্যাক্ট প্লেয়ারের যুগে ২৪ বলে ৫৪ রান করা আর এমন কী! কিন্তু মুকুলের ক্ষেত্রে কাজটি বেশ চ্যালেঞ্জিংই। এটা ছিল সবচেয়ে দামি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটিতে তার তৃতীয় ম্যাচ। লখনৌর আর স্বীকৃত ব্যাটার তো ছিলই না, হাতে ছিল না তেমন উইকেটও। মাত্র তিন বোলার ব্যাটিংয়ের অপেক্ষায় ছিলেন।এমন চাপের মুখে ম্যাচ জিতিয়ে মুকুলের তো জনপ্রিয়তার চূড়ায় আরোহন করার কথাই। তা করছেনও বটে। পুরো ভারতজুড়ে এখন তার বন্দনা। প্রশংসা পাচ্ছেন ২১ বছর বয়সি এই ক্রিকেটারের বাবা দলিপ চৌধুরিও। ছেলেকে ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে তোলার পথে কম ত্যাগ-তিতিক্ষা স্বীকার করতে হয়নি তাকে। এমনকি জেলও খাটতে হয়েছে।আরও পড়ুন: বোর্ডকে আদালতে টেনে নেওয়ার ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন থুশারাছেলের জন্মের আগেই তাকে ক্রিকেটার বানানোর স্বপ্ন দেখা দলিপ সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে একেক সময় একেক পেশা গ্রহণ করেছেন। এক সময় হোটেল ব্যবসা চালু করেন তিনি। সেটা করতে গিয়ে ব্যাংক লোন নিতে হয়। ওই লোন সময়মতো পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়াতে দলিপকে জেল খাটতে হয়। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে এই তথ্য তিনি নিজেই জানান।দলিপ বলেন, ‘হ্যাঁ। আমি সময়মতো কিস্তি পরিশোধ করতে পারতাম না। এমনকি জেলেও গিয়েছিলাম। তবে কখনও প্রতারণা করিনি।’আত্মীয়-স্বজনরাও নানা সময়ে দলিপকে নানা কটু কথা শুনিয়েছেন। অনেকে তাকে পাগলও ডাকতেন। দলিপ বলেন, ‘আমার আত্মীয়রা আমাকে ছেড়ে যায়। তারা আমাকে পাগল ডাকত। আমি নাকি নিজের জীবন ধ্বংস করেছি, ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার আর্জি তাদের। এগুলো আমার মুখের সামনে বলত।’

Go to News Site