Jagonews24
শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১০টি অঞ্চলে স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ৫৫৮ কেন্দ্রে আজ রোববার থেকে ‘জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬’ শুরু হয়েছে। আগামী ১১ মে পর্যন্ত পরিচালিত এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সকালে রাজধানীর কড়াইল এলাকায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী প্রত্যেক শিশুকে অবশ্যই এই টিকা দিতে হবে। তিনি জানান, প্রথমে দেশের ১৭টি উপজেলায় এবং পরে ৪টি সিটি করপোরেশনে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২০ তারিখ থেকে সারাদেশে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, মহাখালী ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালকে একটি জেনারেল হাসপাতালে রুপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে নগরবাসীকে আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া যায়। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে হাম-রুবেলা প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে ডিএনসিসি এলাকায় ৫৪টি স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র এবং ৫০২টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও ৩৫টি ইভিনিং সেন্টার ও ৮টি ফ্রাইডে সেন্টারের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে মোট ৫৯৪ জন টিকাদানকর্মী, ৬৫০ জন ভলান্টিয়ার এবং ২০৩ জন সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করবেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সব অভিভাবককে তাদের ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে এসে টিকা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ডিএনসিসি প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইউনিসেফের ইম্যুনাইজেশনের হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদ, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. রাজেশ নারওয়াল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গবেষণা কর্মকর্তা মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী। এমএমএ/এমআইএইচএস
Go to News Site