Collector
হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরও দুই শিশুর মৃত্যু | Collector
হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরও দুই শিশুর মৃত্যু
Jagonews24

হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই হাসপাতালে মোট ১২ শিশুর মৃত্যু হলো। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৬ শিশু ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে চিকিৎসাধীন মোট ৭৩ শিশু। রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম মেডিকেল দলের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ১২ এপ্রিল রাত ১০টার পর ময়মনসিংহের ফুলপুর থেকে ৯ মাস বয়সি শিশু ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করে পরিবার। হামের উপসর্গ থাকা অবস্থায় তার যথাযথ চিকিৎসা চলছিল। এরইমধ্যে শনিবার দিনগত রাত ১টার দিকে শিশুটির হার্ট ফেইলিউর, নিউমোনিয়াসহ সন্দেহভাজন হাম রোগে মারা যায়। এছাড়া গত ১১ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টায় জেলার গৌরীপুর থেকে ১০ মাস বয়সি শিশু ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করে পরিবার। নিউমোনিয়াসহ হামের উপসর্গ নিয়ে শনিবার দিনগত রাত ১১টার দিকে এই শিশুটিও মারা যায়। অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা আরও বলেন, গত ১৭ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩৯৭ শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৩১২ শিশু এবং ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে আরও ২৮ শিশু। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৭৩ শিশু। হাসপাতালে শিশুদের জন্য আইসিইউ ওয়ার্ড প্রস্তুত থাকলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবলের কারণে সেটি চালু করা হয়নি। আইসিইউ না থাকায় হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে থাকা শিশুদের চিকিৎসায় বাবল সিপ্যাপ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। আইসিইউ ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হলেও সেখানে যন্ত্রপাতি ও জনবলের কারণে সেটি চালু হয়নি। চাহিদা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। শ্বাসকষ্টের রোগীদের অক্সিজেন ও বাবল সিপ্যাপ দিয়ে সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। সিলিন্ডারে অনেক সময় কাজ না হওয়ায় বাবল সিপ্যাপ দিয়ে অক্সিজেন ব্যালান্স করা হয়। কামরুজ্জামান মিন্টু/এনএইচআর/জেআইএম

Go to News Site