Collector
পহেলা বৈশাখে ১১ উপজেলায় কৃষক কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী | Collector
পহেলা বৈশাখে ১১ উপজেলায় কৃষক কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
Jagonews24

পহেলা বৈশাখে ১১ উপজেলায় কৃষক কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখে প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে আট বিভাগের ১০টি জেলার ১১ উপজেলার ১১টি ব্লকে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন বলে জানানো হয়েছে। শুরুর দফায় ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষক, মৎস্যচাষী/আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খামারী ও দুগ্ধখামারীসহ ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শ্রেণীর সব কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া লবণ চাষীরাও এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসুচির উদ্বোধন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি জানান, প্রাক-পাইলট পর্যায়ে পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার কমলাপুর ব্লক, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লক, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার কৃপালপুর ব্লক, পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ি ব্লক, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া ব্লক, কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার অরণাপুর ব্লক, টাঙ্গাইল জেলার টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সুরুজ ব্লক, রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপঁচা ব্লক, মৌলভিবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ব্লক, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার পাঁচপির ব্লক ও জামালপুর জেলার, ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ব্লকে এ কার্যক্রম উদ্বোধন হবে। আগামী পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ তারিখে নতুন বছরের প্রথম দিনে প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ের কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের প্রনোদনাসহ ১০ সুবিধা নিশ্চিত করতে টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আদলে সারাদেশে চালু হতে যাচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম। তিনটি পর্যায়ে এ কার্ড দেওয়া হবে। এগুলো হলো ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় কৃষক । ক্রমান্বয়ে দেশের প্রায় সব কৃষক এ কার্ডের অন্তর্ভুক্ত হবে। সারাদেশের প্রায় ২ কোটি ২৭ লাখ কৃষক রয়েছে বলে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। প্রাক-পাইলট ও পাইলট পর্ব সফল হলে আগামী ৪ বছরের মধ্যে দেশব্যাপী এই কার্ডের মাধ্যমে ডিজিটাল কৃষিসেবা চালু করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকের পরিচয় ডিজিটাল করা হবে, যা ফ্যামিলি কার্ডের মতো কাজ করবে। তবে এ কার্ডে বছরে একবার ২ হাজার ৫০০ টাকা মিলবে। এনএইচ/এএমএ

Go to News Site