Jagonews24
২০১৬ এসএ গেমসে স্বর্ণপদক জেতার পর জাতীয় পতাকা জড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীতের সময় স্যালুট জানিয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন মাবিয়া আক্তার। তার সেই ছবি তখন অনুপ্রেরণার হয়ে দাঁড়ায় দেশের সকল ক্রীড়াপ্রেমী ও ক্রীড়াবিদদের জন্য। কিন্তু তারকা এই ভারোত্তলক ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে নিষিদ্ধ হয়েছেন দুই বছরের জন্য। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশোনের (বিওএ) সভাপতি জোবায়েদুর রহমান রানা জাগোনিউজকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত বছরের অক্টোবরে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত ইসলামিক সলিডারিটি গেমসকে কেন্দ্র করে। সেই আসরে অংশ নেওয়ার আগে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) ভবনে নমুনা জমা দেন মাবিয়া। পরে পরীক্ষায় জানা যায় তার দেহে নিষিদ্ধ ‘ফুরোসেমাইড’ ও ‘ক্যানরেনোন’ এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যার কাজ শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে নেওয়া। পরে সাউথ এশিয়া অ্যান্টি ডোপিং অর্গানাইজেশনের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই গত বৃহস্পতিবার বিশ্ব ডোপবিরোধী সংস্থা (ওয়াডা) তাকে চিঠি পাঠিয়েছে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার। শাস্তি হলেও এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ আছে কিনা জানতে চাইলে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশোনের (বিওএ) সভাপতি জোবায়েদুর রহমান রানা জাগোনিউজকে বলেন, ‘ইতোমধ্যেই একবার আপিল করা হয়েছে। স্বীকার করে নেওয়ায় তাই শাস্তি কম হয়েছে। প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী মাবিয়া ওষুধ সেবন করেছিলেন। তবে সব ওষুধ প্রেসক্রিপশনে থাকলে খাওয়া যায় না। প্রেসক্রিপশন ওয়াডায় পাঠিয়ে অনুমতি নিতে হয়।’ এই ব্যাপারে মাবিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ২০১২ সালে জাতীয় দলে পথচলা শুরু করা মাবিয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দারুণ সাফল্য পেয়েছেন। তার অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে পাঁচটি স্বর্ণপদক, যার মধ্যে ২০১৬ ও ২০১৯ সালের এসএ গেমসে টানা দুই আসরে সোনা জয়ের কৃতিত্বও রয়েছে। আরআই/আইএন
Go to News Site