Somoy TV
যুদ্ধবিরতি নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও লেবাননে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ থামেনি। শনিবার রাতভর এবং রোববার সকালে ইসরাইলি সেনাদের একাধিক হামলায় দেশটিতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সির (এনএনএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের টায়ার জেলার মারুব শহরে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণের শহর কানায় আরেক হামলায় পাঁচজন লেবানিজ নিহত হয়েছেন। এনএনএ বলছে, আল-বাজুরিয়েহ, কালিলা, বাফলিয়েহ এবং ক্লাউইয়া শহরেও ইসরাইলি হামলা হয়েছে। লেবাননের একটি সূত্র জানিয়েছে, তেফাহতা শহরে শনিবার রাতভর ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। আরও পড়ুন: ভেস্তে গেল আলোচনা: পাকিস্তান ছাড়ল ইরানি প্রতিনিধিদলও অন্যদিকে ইসরাইলি সেনাদের ওপর ড্রোন হামলার দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেয়া এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, উত্তরাঞ্চলীয় অবৈধ ইসরাইলি বসতি ইর’ওনে সেনাদের ওপর তারা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিজেদের দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলি-মার্কিন আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত পাল্টা হামলা অব্যাহত থাকবে। পাঁচ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। চুক্তিতে লেবাননের কথা থাকলেও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পাকিস্তানের তা প্রত্যাখ্যান করেন। সেই সঙ্গে হুঙ্কার দিয়ে বলেন, হামলা চলবে। আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ঐতিহাসিক আলোচনা ব্যর্থ, এরপর কী হবে? এরপর বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর থেকে লেবাননের রাজধানী বৈরুতসহ বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। ইসরাইল জানায়, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ১০০-রও বেশি স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় তিন শতাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও সহস্রাধিক আহত হন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ২১ ঘণ্টার শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। আলোচনার ব্যর্থ হওয়ার জন্য একে অপরকে দোষারোপ করেছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় লেবানন বিষয়টিও বিষয়টি উঠে এসেছিল। তবে সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ায় দেশটিতে ইসরাইলের হামলা জোরদার হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
Go to News Site