Collector
ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যে কি নেতানিয়াহুর একটি ফোনকল? | Collector
ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যে কি নেতানিয়াহুর একটি ফোনকল?
Somoy TV

ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যে কি নেতানিয়াহুর একটি ফোনকল?

স্থায়ী শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে মিলিত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে দুইপক্ষই নিজ নিজ দাবিতে অনড় থাকায় শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। তবে তেহরানের দাবি, আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি ফোনকলই আলোচনার অগ্রগতিকে ভেস্তে দিয়েছে।শনিবার দুপুর থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত পাকিস্তানের রাজধানীতে ২১ ঘণ্টারও বেশি আলোচনার পর কোনো চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদল রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে ইসলামাবাদ ত্যাগ করে। এর কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার জন্য ইসরাইলি ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে আরাঘচি লিখেছেন, ‘বৈঠকের সময় ভ্যান্সকে নেতানিয়াহুর করা ফোনকল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার ফোকাস সরিয়ে ইসরাইলের স্বার্থের দিকে নিয়ে যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিলে এমন কিছু অর্জনের চেষ্টা করেছে, যা তারা যুদ্ধের মাধ্যমেও অর্জন করতে পারেনি।’ আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর আহ্বান ওমানের ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তেহরান সদিচ্ছা নিয়েই আলোচনায় অংশ নিয়েছিল এবং ভ্যান্সের পাকিস্তান ত্যাগের আগে সংবাদ সম্মেলনকে তিনি ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলে মন্তব্য করেন। আরাঘচি বলেন, ইরান নিজেদের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং প্রস্তুত। ওয়াশিংটন এখনও নেতানিয়াহুর ফোনকলের বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে ফের সংঘাত শুরুর আশঙ্কা করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। অনেকে মনে করছেন, এই কূটনৈতিক অচলাবস্থা কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থান এবং তেহরানের অনড় মনোভাবের কারণে পারস্য উপসাগরে নতুন করে যুদ্ধের দামামা বাজার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। আরও পড়ুন: আমরা কোনো হুমকির কাছেই মাথা নত করব না ইরানি কর্মকর্তারা এবং আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে অগ্রহণযোগ্য বলে বর্ণনা করেছেন। আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তেহরানের কর্মকর্তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র শুধু তাদের ও মিত্রদের জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধ চলাচলই নয়, বরং ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ এবং বিদ্যমান ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে। ভ্যান্স এই শর্তগুলোকে ওয়াশিংটনের ‘চূড়ান্ত ও সর্বোত্তম প্রস্তাব’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যদিও ইরান এগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

Go to News Site