Somoy TV
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় সোমবার (১৩ এপ্রিল) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। পালা করে চলছে পণ্য ও যাত্রীবাহী নৌযান - দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া জ্বালানি তেলের সংকটের বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে দেশের নৌপরিবহন খাতে। চাহিদামতো তেল না পাওয়ায় অধিকাংশ নৌযান বসে থাকছে। বাকিগুলো চালাতে হচ্ছে পালা করে। এতে যাত্রীসেবার চেয়ে বড় চাপ তৈরি হয়েছে পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায়। সারাদেশে পণ্য সরবরাহেও বিঘ্ন ঘটছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ডিজেলের সরবরাহ সীমিত হয়ে গেছে। ডিপো থেকে চাহিদার অর্ধেকের বেশি তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। এর ফলে পণ্য পরিবহনের গতি কমে গেছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ গন্তব্যগুলোতে নৌ চলাচল অনেক কমে গেছে।জ্বালানির দাম বাড়ায় ঢাকা রুটে ফ্লাইট কমাচ্ছে এয়ারলাইনগুলো - দৈনিক বণিবার্তার প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং ভ্রমণ চাহিদার অনিশ্চয়তার কারণে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আকাশপথে চাপ বাড়ছে। বাংলাদেশ, নেপাল ও থাইল্যান্ডগামী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট সংখ্যা কমিয়ে আনছে আকাশ পরিবহন সংস্থাগুলো। বাড়তি খরচ ও যাত্রী চাহিদা ওঠানামার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বড় উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো তাদের গ্রীষ্মকালীন সময়সূচিতেও আনছে পরিবর্তন। বিশেষ করে ইন্ডিগো ও এয়ার ইন্ডিয়ার মতো ভারতীয় এয়ারলাইনগুলো এরই মধ্যে তা শুরু করেছে। এয়ার ইন্ডিয়া ঢাকা রুটে ফ্লাইট কমিয়েছে। এত তেল যাচ্ছে কোথায়? - দৈনিক মানবজমিনের প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, শুরুটা হয়েছিল ইরানে যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর। জ্বালানি তেল সংকট হতে পারে এই শঙ্কা থেকে যানবাহনে জ্বালানি নিতে হিড়িক পড়ে। তারপর থেকে দেশের জ্বালানি তেলের পাম্পগুলোতে হ-য-ব-র-ল অবস্থা। সরকার বলছে তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও মজুত আছে। ডিপো থেকে পাম্পে নিয়মিত জ্বালানিও দেয়া হচ্ছে। কিন্তু পাম্পে যানবাহনের দীর্ঘ সারি কমছে না। পাম্পে তেল আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে, আগে যা পুরো দিনেও শেষ হতো না। এই অবস্থায় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এত জ্বালানি যাচ্ছে কোথায়? পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে, সংকটের দোহাই দিয়ে কিছু ব্যক্তি পর্যায়ের ক্রেতা তেল মজুত করছেন নিজের প্রয়োজনে। তারা এও ভাবছেন একসময় তেলই পাওয়া যাবে না। আবার আরেক শ্রেণি বাণিজ্যিক দৃষ্টিতে বিভিন্ন পাম্প থেকে বিভিন্নভাবে তেল সংগ্রহ করে জমিয়ে পাচার করছে। এ ছাড়া আরও কিছু লোক তেল সংগ্রহ করে খুচরা বিক্রেতার কাছে বেশি দামে বিক্রি করছেন। আবার খুচরা বিক্রেতারা সেই তেল সাধারণ ক্রেতার কাছে চড়া দামে বিক্রি করছেন।লোভের আগুন সোনালিতে - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরের প্রথম দিন বাড়ির সবাই মিলে একটু ভালোমন্দ না খেলে কি বাঙালির চলে? আগামীকাল পহেলা বৈশাখে ঘরে কী রান্না হবে, তা নিয়ে নিশ্চয়ই ঘরে ঘরে চলছে ‘গবেষণা’। কিন্তু হিসাব-নিকাশটা এবার যে বড়ই কঠিন! কারণ এই দুর্মূল্যের বাজারে ‘শখের তোলা আশি টাকা’ এখন হাজার টাকায় ঠেকেছে। বছরের প্রথম সকালে শখ করে পান্তা-ইলিশের কথা আর ভুলেও মনে আসে না মধ্যবিত্তের। এত দিনে তাই অনেকের ঘরেই চালু হয়েছে মুরগির ঝোল দিয়ে গরম ভাত। কিন্তু সেই মজার স্বাদের দেশি মুরগির নাগাল এখন পাওয়াই যায় না। এর বিকল্প দাঁড়িয়ে গেছে খামারের সোনালি মুরগি; অনেকটা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতোই। মাসখানেক আগেও মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকা এই সোনালি মুরগি ছিল আমিষের অন্যতম উৎস। কিন্তু হঠাৎ এই সোনালির গায়ে লেগেছে দামের আগুন।আইএমএফের শর্তে রাজস্বে উচ্চাভিলাষী টার্গেট - দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঋণের শর্ত হিসাবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-বাংলাদেশকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬ লাখ ৭০০ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের টার্গেট দিয়েছে। সেই টার্গেট পূরণ করতে কর অব্যাহতির পরিমাণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনাসহ কর হার বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সারচার্জের পরিবর্তে ‘সম্পদ কর’ আরোপের চিন্তা করছে সংস্থাটি। যদিও এই টার্গেটকে আকাশচুম্বী, অতি উচ্চাভিলাষী বলছে অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা। তাদের মতে, এত বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের সক্ষমতা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কোনোটিই নেই এনবিআরের। শুধু করহার বাড়িয়ে রাজস্ব আদায়ের চিন্তা করলে তা ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি ছাড়া সুফল আনবে না।
Go to News Site