Collector
সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: ৪ জনের বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন | Collector
সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: ৪ জনের বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন
Jagonews24

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: ৪ জনের বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন

রাজধানীর শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার চার আসামির সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। মামলায় গ্রেফতার এই চার আসামি হলেন মো. ফারুক হোসেন সুমন (৪২), মো. লিটন মিয়া (৩৮), মো. ফালান মিয়া (৪২) ও মো. রুবেল (৪২)। আদালতে তাদের হাজির করে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শ মো. ছাবির আহমেদ। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের শেরেবাংলা নগর থানার মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী মো. আবু হানিফ (৩৯), যিনি শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত, দীর্ঘদিন ধরে ১ নম্বর আসামি মো. মঈন উদ্দিনের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মুখে ছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার বর্ণনায় বলা হয়, গত ১০ এপ্রিল ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে মঈন উদ্দিনসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন ব্যক্তি বাদীর বাসায় গিয়ে তার স্ত্রীর কাছে তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা হুমকি ও উশৃঙ্খল আচরণ শুরু করে। পরিস্থিতি খারাপের আশঙ্কায় বাদী তার ভাইকে ডেকে নেন। পরে অভিযুক্তরা আরও লোকজন জড়ো করে প্রায় ৫০-৬০ জনের একটি দল নিয়ে সিকেডি হাসপাতালের সামনে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তারা উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করার চেষ্টা চালায়। এমনকি হাসপাতালের মালিককে উদ্দেশ্য করে হুমকিসূচক স্লোগানও দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। খবর পেয়ে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় মূল আসামি মঈন উদ্দিন পলাতক রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গ্রেফতার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা অসংলগ্ন তথ্য দিচ্ছেন এবং ঘটনার প্রকৃত তথ্য গোপন করছেন। মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক আসামিদের পরিচয় শনাক্ত ও গ্রেফতার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহের জন্য তাদের রিমান্ডে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আবেদনে আরও বলা হয়, আসামিদের কাছ থেকে পলাতক ও অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ এবং অপরাধ সংঘটনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উদঘাটনের স্বার্থে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন। এমডিএএ/এএমএ

Go to News Site