Collector
বাংলা নববর্ষে ঢাকার যে ৫ স্থানের সৌন্দর্য না দেখলে মিস করবেন | Collector
বাংলা নববর্ষে ঢাকার যে ৫ স্থানের সৌন্দর্য না দেখলে মিস করবেন
Somoy TV

বাংলা নববর্ষে ঢাকার যে ৫ স্থানের সৌন্দর্য না দেখলে মিস করবেন

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আগামী ১৪ এপ্রিল। বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপনে দিনটিতে থাকে সরকারি ছুটি। তাই পরিবার ও কাছের মানুষদের নিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত জানাতে ঘুরতে যেতে পারেন রাজধানীর বেশ কয়েকটি উৎসবমুখর বৈশাখী আয়োজনে।বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিনটি উপভোগ করতে নগরীর নানা প্রান্তে লোকজ সংস্কৃতি, দেশীয় ঐতিহ্যের প্রাণের ছোঁয়ায় আয়োজন করা হয়েছে বৈশাখী উৎসবের। আসুন এক নজরে জেনে নিই নববর্ষে ঘুরতে যাওয়ার জাকজমকপূর্ণ ৫ স্থানের নাম- ১। রমনা পার্ক: পহেলা বৈশাখের সকালে ঢাকায় যেকোনো বৈশাখী উৎসবের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো রমনা বটমূল। এখানে ছায়ানটের আয়োজনে হয় ঐতিহ্যবাহী সংগীতানুষ্ঠান। হাজারো মানুষ ভোরবেলা রমনায় জড়ো হন নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে। বটমূলের ছায়ায় বাঙালির গান, কবিতা আর আবেগে মেতে ওঠে পুরো এলাকা। পাশের রমনা পার্কেও থাকে উৎসবের আমেজ, যেখানে পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়ানো যায় স্বস্তির সঙ্গে। ২। চারুকলা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগেই নববর্ষ উদ্‌যাপনের চোখ ধাঁধানো মূল আয়োজন বলতে পারেন। এখান থেকেই শুরু হয় দেশের ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রা যেখানে সব শ্রেণির মানুষ অংশগ্রহণ করে। নানা রঙের বর্ণিল সংস্কৃতির পহেলা বৈশাখের এ মঙ্গল শোভাযাত্রাকে  ২০১৬ সালে বাঙালির ধর্মনিরপেক্ষতা ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে 'মানবতার অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য' শিরোনামে স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো।  ৩। বাংলা একাডেমি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে একটু কাছেই হেঁটে যেতে পারেন বাংলা একাডেমির বৈশাখি মেলায়। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) ও বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে ‘বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’। টানা সাত দিনের এই মেলায় থাকছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী উপকরণ। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উদ্যোক্তাদের থেকে শুরু করে বৈশাখী সাজসজ্জা, মাটির পণ্য, নকশিকাঁথা ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের সমাহার পাবেন এখানে। ১৪ থেকে ২০ এপ্রিল প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে এই মেলা। আরও পড়ুন: গরমে কেমন হবে বৈশাখী সাজ? ৪। আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র: পহেলা বৈশাখের আগেই শুরু হয়ে গেছে নববর্ষের এসএমই বৈশাখী মেলা। ১২ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ উৎসব চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ মেলায় আছে ৩০০টির বেশি স্টল। এর মধ্যে দেড়শর বেশি উদ্যোক্তা স্টল ও ৩০টির বেশি ফুড স্টল রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিদিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সঙ্গে থাকছে নাগরদোলা, বায়োস্কোপ, টিয়া পাখি খেলা, বানর খেলা। মেলায় প্রবেশের জন্য সাধারণ টিকিটের মূল্য ৩০ টাকা। আরও পড়ুন: আজ চৈত্র সংক্রান্তি, বাংলা ১৪৩২ সনের শেষ দিন ৫। কোর্টসাইড, ১০০ ফিট মাদানি এভেনিউ: বাঙালিয়ানা গানের সুর, দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে বাংলা নববর্ষ বরণ করে নিতে পহেলা বৈশাখের দিন জমকালো গানের আসরের আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক সঙ্গীত ফ্র্যাঞ্চাইজি কোক স্টুডিও বাংলা। দেশের খ্যাতিমান ও উদীয়মান সংগীতশিল্পীরা এ গানের আসরে সংগীত পরিবেশন করবেন। পহেলা বৈশাখ ১৪ এপ্রিল বিকেল ৩টায় জাদুকরী এ গানের অনুষ্ঠান শুরু হবে।

Go to News Site