Collector
শিগগির ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফার বৈঠক, ভেন্যু আলোচনায় জেনেভা | Collector
শিগগির ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফার বৈঠক, ভেন্যু আলোচনায় জেনেভা
Jagonews24

শিগগির ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফার বৈঠক, ভেন্যু আলোচনায় জেনেভা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা এই সপ্তাহে বা আগামী সপ্তাহের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে ঠিক কোথায় এই বৈঠক হতে পারে তা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে। পাকিস্তানে ইরানি দূতাবাসের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দ্বিতীয় দফা বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এদিকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনা খুব শিগগির হতে পারে। তবে আল-জাজিরা ও অ্যাসোসিয়েট প্রেস জানিয়েছে, এখনো বৈঠকের নির্দিষ্ট তারিখ ও স্থান চূড়ান্ত হয়নি। সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে ইসলামাবাদের পাশাপাশি জেনেভার নাম আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় দফা আলোচনার ক্ষেত্রে তুরস্ক এবং মিশর সম্ভাব্য আয়োজক হতে পারে। এর আগে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফা বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেইন মোহসেনি এজেই দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবির কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে জেডি ভ্যান্স বলেন, আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। পারমাণবিক ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থানে বড় ধরনের পার্থক্য রয়ে গেছে। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ইরান ৫ বছর পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছে, বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছরের জন্য স্থগিতের দাবি জানিয়েছে। এদিকে আন্তর্জাতিক মহল কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে। চীনা কূটনৈতিক জিউ জিয়াকুন যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সঙ্গে সমঝোতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ আলোচনায় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। বর্তমানে যুদ্ধবিরতি বজায় থাকলেও তা ভঙ্গুর বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে দ্রুত নতুন দফা আলোচনা শুরু হওয়া এই সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেন জেডি ভ্যান্স। তবে বিভিন্ন মতপার্থক্যের কারণে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে দুই পক্ষই জানায়। এরপর ১৩ এপ্রিল মার্কিন সেন্টকম ঘোষণা দেয় যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ শুরু করবে, যার মাধ্যমে দেশটির বন্দরগামী ও বন্দর ত্যাগকারী সব জাহাজের চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত যৌথবাহিনীর হামলায় ২০৭৬ নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছে ২৬ হাজারের বেশি মানুষ। একই দিনে মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালানো মার্কিন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৬৮ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়। কেএম

Go to News Site