Collector
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ আলোচনায় বসতে পারে: ট্রাম্প | Collector
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ আলোচনায় বসতে পারে: ট্রাম্প
Somoy TV

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ আলোচনায় বসতে পারে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আগামী দুই দিনের মধ্যেই পাকিস্তানে আলোচনা পুনরায় শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) নিউইয়র্ক পোস্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আপনাদের সেখানেই থাকা উচিত। কারণ আগামী দুই দিনের মধ্যে কিছু একটা ঘটতে পারে। আমরা সেখানে (পাকিস্তান) যাওয়ার ব্যাপারে বেশি আগ্রহী।’ পাঁচ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এরপর চলমান সংঘাতের অবসানে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। আরও পড়ুন: সমালোচনার মুখে যিশু রূপে নিজেকে দেখানো ছবি মুছে ফেললেন ট্রাম্প গত শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ অন্যদের মধ্যে সপ্তাহান্তে এক বৈঠক হয়। তবে সেই আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছিল। মঙ্গলবার দিনের শুরুতে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরান ও পাকিস্তানের মধ্যে বার্তা বিনিময় হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনার বিষয়ে একমত হওয়ার ‘কোনো তথ্য নেই’। এর আগে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার সরাসরি আলোচনা সম্ভবত ইউরোপের কোনো একটি দেশে হতে পারে। তবে নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফায় আলোচনা ইসলামাবাদে ফেরার সম্ভাবনাই ‘বেশি। এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার বৈঠকের বিষয়ে এখনও কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে জানা যাচ্ছে, বেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র-েইরানের বিরোধের অন্যতম একটি ইস্যু হলো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যু। ইসলামাবাদে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ২০ বছর স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে বলে খবর বেরিয়েছে, অন্যদিকে ইরান পাঁচ বছরের প্রস্তাব দিয়েছে। আরও পড়ুন: অবরুদ্ধ এলাকায় ইরানের জাহাজ গেলেই ডুবিয়ে দেয়া হবে: ট্রাম্প আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনা এবং এই সমুদ্রপথের ভবিষ্যৎ। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই প্রণালির ভবিষ্যৎ আগের চেয়ে ভিন্ন হবে। এছাড়া ইরানের ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিষয়টি, যার পরিমাণ ৪৫০ কেজির বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী, এটি ইরানের ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি পারমাণবিক কেন্দ্রে চাপা পড়ে আছে। অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেয়া হতে পারে অথবা এর মাত্রা কমিয়ে ৩ শতাংশের নিচে নিয়ে আসা হতে পারে। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

Go to News Site