Collector
এবার এনসিপির হয়ে চসিক নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন মনজুর? | Collector
এবার এনসিপির হয়ে চসিক নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন মনজুর?
Somoy TV

এবার এনসিপির হয়ে চসিক নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন মনজুর?

চট্টগ্রামের রাজনীতিতে দল বদলের কারণে বিতর্কের এক নাম সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম। কখনো বিএনপি আবার কখনো নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগে। এখন আবার এনসিপির সঙ্গে গোপন বৈঠক নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গণে।মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) নগরীর কাট্টলির বাসায় গিয়ে ছাত্র জনতার তোপের মুখে পড়েন হাসনাত আবদুল্লাহ।  গুঞ্জন আছে আসন্ন মেয়র নির্বাচনে এনসিপির হয়ে মেয়র পদে লড়তে চান মনজুর আলম।এম মনজুর আলম। ঘনঘন দল বদলের কারণে চট্টগ্রামের রাজনীতির বিতর্কিত ও সমালোচিত এক নাম।২০১০ সালে বিএনপির সমর্থনে মেয়র নির্বাচিত হয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হন। ২০১৫ সালে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন কারচুপির অভিযোগে ভোট বর্জন করে বিএনপি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তৎকালীন বিএনপির মেয়র প্রার্থী এম মনজুর আলম দলটির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়িয়ে সক্রিয় হন  আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে। ২০১৮ সালে সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েও ব্যর্থ হন। আবার ২০২১ সালে সিটি নির্বাচনেও একই দলের মেয়রের ফরম কিনেও মনোনয়ন বঞ্চিত হন। সবশেষ ২০২৩ সালে চট্টগ্রাম-১০ আসনে দলের টিকিট না পেয়ে উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে হেরে যান তিনি।এবার নতুন করে দল বদলের বিতর্কে উত্তপ্ত চট্টগ্রামের রাজনীতি। এনসিপির নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন এম মনজুর আলম। সিটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন নতুন দলটির হয়ে। জোরালো হচ্ছে এমন গুঞ্জন। গত মঙ্গলবার মনজুর আলমের কাট্টলির বাসায় গিয়ে তোপের মুখে পড়েন এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। দল বদলের রাজনীতি এ জাতি আর পছন্দ করেন না।বিএনপি নেতারা বলছেন, নীতি বদলকারীদের প্রত্যাখ্যান করবে চট্টগ্রামবাসী।আরও পড়ুন: হাসনাতকে ঘিরে ধরে জুলাইযোদ্ধার প্রশ্ন, আপনি আ.লীগের দোসরের বাসায় কেন?চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, তিনি রাজনীতি নিয়ে ডিগবাজি করছেন তিনি এমন কোনো নির্বাচন করেনি। বিএনপি তাকে মেয়র করেছেন। আবার বিএনপির সাথে বেইমানি করে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।এদিকে নগরীর কাট্টলি মনজুর আলমের বাসায় গেলেও প্রবেশ অনুমতি পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে অস্বীকার করেন বিষয়টি তিনি।এ বিষয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘হাসনাত আবদুল্লাহরা সংসদে ফ্যাসিবাদবিরোধী নানা কথা বলেন কিন্তু আওয়ামী লীগের দোসরদের সাথে বৈঠক করেন। তারা গণঅভ্যুত্থানের নীতি কথা বলে কিন্তু বিরোধীদের সাথে গোপন বৈঠক করে। তিনি সব সময় দল পরিবর্তন করে। নগরবাসী তাকে প্রত্যাখ্যান করে।’এদিকে সাবেক মেয়র চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এম মনজুর আলম বলেন, ‘হাসনাত আবদুল্লাহ আমার বাড়ি দাওয়াত খেতে এসেছেন। তার সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। তবে সিটি নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে।’নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনীতির মাধ্যমে প্রথমে চট্টগ্রামের উত্তর কাট্টলি এলাকার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন ধর্ণাঢ্য ব্যবসায়ী এম মনজুর আলম।

Go to News Site