Somoy TV
কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপের মধ্যেও লেবাননে ইসরাইলের আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে। এরইমধ্যে ইসরাইল জানিয়েছে, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে কথা বলবেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে লেবানন বলছে, ইসরাইলের সঙ্গে আলোচনার একমাত্র প্রথম ধাপ হবে যুদ্ধবিরতি।বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ব্রিটেনের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূতের সঙ্গে এক বৈঠকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট আউন বলেন, ইসরাইলের কাছে যে যুদ্ধবিরতির জন্য লেবানন যে দাবি জানাচ্ছে, এটি দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনার জন্য একটি স্বাভাবিক প্রবেশপথ হিসেবে কাজ করবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা এক বিবৃতিতে লেবাননের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘দক্ষিণাঞ্চলসহ লেবাননের সব অঞ্চলে উত্তেজনা বন্ধ করতে লেবানন আগ্রহী, যাতে নিরীহ ও নিরাপদ মানুষ—নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর হামলা বন্ধ হয় এবং লেবাননের গ্রাম ও শহরগুলোতে বাড়িঘর ধ্বংস হওয়া থেমে যায়।’ জোসেফ আউন বলেন, দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানাতে ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে আলোচনা ‘শুধুমাত্র লেবাননের কর্তৃপক্ষের দ্বারাই পরিচালিত হবে’। আরও পড়ুন: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফা আলোচনা নিয়ে যা জানাল পাকিস্তান তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতিকে শক্তিশালী করতে লেবানন ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার একটি অপরিহার্য শর্ত। এবং যেকোনো ধরনের সশস্ত্র উপস্থিতি বন্ধ করতে হবে। এর আগে ইসরাইলি আর্মি রেডিওকে দেশটির মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সদস্য গালিয়া গামলিয়েল বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আজ (১৬ এপ্রিল) লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে কথা বলবেন। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর বৃহস্পতিবার ইসরাইল ও লেবাননের শীর্ষ নেতারা আলোচনা করবেন-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এমন ঘোষণার পর ইসরাইলের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। আরও পড়ুন: লেবাননের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নেতানিয়াহুর আলাপ নিয়ে ধোয়াশা! বুধবার (১৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে একটু স্বস্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছি। প্রায় ৩৪ বছর পর এই দুই দেশের নেতারা কথা বলবেন। তবে লেবাননের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেন, ইসরাইলের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তারা অবগত নন। ওই কর্মকর্তা বলেন, ইসরাইলের সাথে পরিকল্পিত কোনো যোগাযোগের বিষয়ে আমরা অবগত নই এবং সরকারি কোনো মাধ্যমেও আমাদের এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
Go to News Site