Jagonews24
গত বছরের মার্চে বিকেএসপিতে যেদিন তামিম ইকবালের হার্ট অ্যাটাক হয়, মেহেদী হাসান মিরাজ তখন মাঠেই ছিলেন। ২০২৫ সালের ২৪ মার্চ সেদিন দুজনেই খেলছিলেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে। এক বছরের ব্যবধানে তামিম এখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সভাপতি। কয়েকদিন আগেও সতীর্থ থাকা তামিম বিসিবি সভাপতি হওয়ায় নানা সুবিধা দেখছেন টাইগারদের ওয়ানডে অধিনায়ক মিরাজ। গত ৭ এপ্রিল তামিম যখন সভাপতি হিসেবে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন, তখনও ক্যাম্প চলছিল জাতীয় দলের। সভাপতি হয়ে ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেখাও করেছেন তামিম। তার সঙ্গে কথা হয়েছে কিনা প্রশ্ন করলে মিরাজ বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের সাথে আমাদের কথা হয়েছিল যে আমাদের দলটা ভালো করছে, আমাদের বুস্ট আপ করেছেন তিনি এবং বলেছেন যে, আমরা যেভাবে খেলছি, এভাবে ভালো ক্রিকেট খেলে যেতে হবে।’ গত দেড় বছরে তিনজন সভাপতি পেয়েছে বিসিবি। গতকাল টাইগারদের হেড কোচ ফিল সিমন্স বলেছিলেন এর প্রভাব দলে পড়ে কিনা সেটা ক্রিকেটারদের জিজ্ঞাসা করতে হবে। আজ একই প্রশ্নের উত্তরে মিরাজ বলেন, ‘আমরা তো অনুশীলন করেছি এবং গত তিন সপ্তাহে আমরা খুবই ভালো অনুশীলন করেছি এবং পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে আসলে বাইরে কী হয়, সেসব আমাদের ওরকম মাথায় প্রভাব পড়ে না। কারণ আমাদের কাজ হলো পারফর্ম করা এবং গত তিন সপ্তাহে যেভাবে অনুশীলন হয়েছে, এটা আমার কাছে মনে হয় অনেক ভালো অনুশীলন আমরা করেছি এবং বাইরে কী হয়েছে, এটা আমরা কখনোই চিন্তা করিনি।’ এক বছর আগেই পেশাদার ক্রিকেট খেলছিলেন তামিম। বর্তমানে জাতীয় দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটারই কোনো না কোনো টুর্নামেন্টে তাকে সতীর্থ হিসেবে পেয়েছেন। এ কারণেই তামিম ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের প্রয়োজনীয় নিয়ে বেশি ভালো বুঝবেন বলে মনে করছেন মিরাজ। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় যে, যেহেতু আমরা একসঙ্গে ক্রিকেট খেলেছি এবং তিনি আমাদের সম্পর্কে আরও বেশি ভালো জানবেন, সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের কী চাহিদা আছে এবং আমরা কিভাবে কী পছন্দ করি... যেহেতু তিনি সম্প্রতি খেলা ছেড়েছেন, এ বিষয়টা ক্রিকেটারদের জন্য একটা ইতিবাচক দিক।’ এসকেডি/আইএইচএস
Go to News Site