Collector
হামের সংক্রমণ: র‌্যাশ ওঠার ৪ দিন আগেই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি | Collector
হামের সংক্রমণ: র‌্যাশ ওঠার ৪ দিন আগেই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি
Somoy TV

হামের সংক্রমণ: র‌্যাশ ওঠার ৪ দিন আগেই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামের সংক্রমণ। গত এক মাসে হাম ও এর উপসর্গে সারা দেশে দুই শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২০ হাজার। রাজধানীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড হাসপাতালেই গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১২১ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে।চিকিৎসকরা বলছেন, শরীরে দানা বা র‌্যাশ বের হওয়ার অন্তত চার দিন আগেই এই ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই জ্বর-সর্দি দেখা দিলেই শিশুকে আইসোলেশনে (বিচ্ছিন্ন রাখা) নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড হাসপাতালে দেখা যায়, হামে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের দীর্ঘ সারি। বর্তমানে এই হাসপাতালে ৪২০ জন রোগী ভর্তি আছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে রেকর্ড সংখ্যক রোগী ভর্তি হয়েছে।হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আইভি আক্তার বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৮ জন রোগী চিকিৎসা নিতে এসেছেন। আমাদের হাই-ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) বর্তমানে ৫০ জন শিশু ভর্তি আছে। সাধারণত জটিল রোগীদেরই আমরা সেখানে রাখছি।’ আরও পড়ুন: কুমিল্লায় হামের উপসর্গে ৯ মাসের শিশুর মৃত্যুচিকিৎসকদের মতে, হামের প্রধান উপসর্গ শরীরে লালচে দানা বা র‌্যাশ। তবে এই র‌্যাশ দৃশ্যমান হওয়ার চার দিন আগে থেকেই আক্রান্ত শিশুটি অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে। ডিএনসিসি ডেডিকেটেড হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আসিফ হায়দার বলেন, ‘র‌্যাশ ওঠার আগের চার দিন খুবই বিপজ্জনক। যদি কোনো শিশুর সর্দি, জ্বর, কাশি বা চোখ লাল হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়, তবে তাকে দ্রুত অন্যদের থেকে আলাদা করে ফেলতে হবে।’হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে সরেজমিন দেখা যায়, আক্রান্তদের মধ্যে এক বছরের কম বয়সি শিশুর সংখ্যাই বেশি। অনেক শিশু ১০ দিনের বেশি সময় ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এক অভিভাবক জানান, তার সন্তানের শরীরে প্রথমে হালকা জ্বর ও সর্দি ছিল। চার দিন পর হঠাৎ সারা শরীরে র‌্যাশ ছড়িয়ে পড়ে। আরেক অভিভাবক বলেন, ‘বাসায় বড় মেয়ের হাম হওয়ার পর সাত মাস বয়সি ছোট ছেলেরও সংক্রমণ হয়েছে।’সংক্রমণ ঠেকাতে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বেশ কিছু জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন:* শিশুর জ্বর বা সর্দি হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া।* জ্বর থাকা অবস্থায় শিশুকে জনসমাগম বা স্কুলে না পাঠানো।* প্রয়োজন ছাড়া শিশুদের ঘরের বাইরে না নেয়া।* আক্রান্ত শিশুকে পর্যাপ্ত তরল খাবার ও ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার নিশ্চিত করা।

Go to News Site