Somoy TV
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (১৬ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ১৭ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামে নিশ্চিত এবং উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে এবং তিন শিশু নিশ্চিত হামে মারা গেছে।শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানা যায়।স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া শিশুর মধ্যে তিনজন ঢাকার ও দুইজন বরিশালের। একই সময় ১ হাজার ১১৫ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ৫১৫ জনই ঢাকার। হামের উপসর্গ নিয়ে একই সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৬৯ শিশু। যার ৩৫৭ জনই ঢাকার। আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২৭। যার মধ্যে ১২০ জনই ঢাকার। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল ছেড়েছে ৭৪৭ শিশু। ছাড় পাওয়া ৭০ শিশু বরিশালের, ১১৫ শিশু চট্টগ্রামের, ৩১৩ শিশু ঢাকার, ১১৮ শিশু খুলনার, ১১ শিশু ময়মনসিংহের, ৮৯ শিশু রাজশাহীর, পাঁচ শিশু রংপুরের, ২৬ শিশু সিলেটের। আরও পড়ুন: হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু এর আগে গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বাকি ছয় শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে মোট ৩৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৭৪ শিশুর। এ ছাড়া হামের উপসর্গ পাওয়া ২১ হাজার ৪৬৭ শিশুর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৩ হাজার ৮৯৮ শিশু। তাদের মধ্যে ৩ হাজার ১৯২ শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ১১ হাজার ২৪৩ শিশু বাসায় ফিরেছে বলেও জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় শুরু হয় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি। পরে ১২ এপ্রিল ঢাকাসহ চার সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকা দেয়া শুরু হয়। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। ২০ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে শুরু হবে টিকা কার্যক্রম।
Go to News Site