Somoy TV
দৈনিক চাহিদার ৩ ভাগের ১ ভাগ বরাদ্দ পাচ্ছে না বলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ ঘণ্টা লোডশেডিং করা হচ্ছে জানিয়েছে সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ ও বিপণন বিভাগ।চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ না পেয়ে বিগত ৪ দিন ধরে সুনামগঞ্জে ঘনঘন লোডশেডিং করছে সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জের প্রতিদিনের গড় চাহিদা ১২ মেগাওয়াট। কিন্তু চাহিদার বিপরীতে গড়ে চার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছে সুনামগঞ্জের বিপিডিপি গ্রাহকেরা। এ কারণে দিনের বেশিরভাগ সময় লোডশেডিং এ কবলে পড়তে হচ্ছে সুনামগঞ্জবাসীকে।সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ বিক্রয় বিতরণ বিভাগ জানায়, পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ১২ মেগাওয়াট সেখানে পাওয়া যায় চার মেগাওয়াট তাই দিনরাত ঘন ঘন লোডশেডিং করে লোড ম্যানেজমেন্ট করা হয়। এ জন্য সুনামগঞ্জ পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। সুনামগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোশনূর বলেন, ‘শহরের বিপণিবিতান দোকানপাট সরকারি নির্দেশনা মতো বন্ধ থাকে কোথাও কোন আলোকসজ্জা হয় না তারপরও গ্রাহকরা বিদ্যুৎ পায় না।’ আরও পড়ুন: শনিবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না দেশের যেসব এলাকায়সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আলহাজ সামছুল হক বলেন, শহরের বিসিক শিল্পনগরী থেকে শুরু করে রাইসমিল, করাতকল, বরফ উৎপাদন কারখানা সব ব্যবসা ও কলকারখানা দিনের বেশির ভাগ সময় বন্ধ থাকে। তারপরও আবাসিক এলাকায় ঘনঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ মানুষ। পল্লীবিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে গ্রামাঞ্চলের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ভয়াবহ অবস্থা ধারণ করেছে।সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ ও বিক্রয় বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাসেল আহমদ বলেন, ‘সুনামগঞ্জে প্রতিদিন ৬০ ভাগ লোডশেডিং করা হচ্ছে। এ সময়ে সুনামগঞ্জে বিদ্যুতের চাহিদা ১২ থেকে ১৩ মেগাওয়াট। কিন্তু বরাদ্দ পাওয়া যায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ মেগাওয়াট। তাই লোডম্যানেজমেন্ট করতে ঘনঘন লোডশেডিং করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রভাব পড়ছে। দেশে বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সারা দেশেই লোডশেডিং করা হচ্ছে। আগামীদিনে লোডশেডিং আরও খারাপ পর্যায়ে যেতে পারে।
Go to News Site