অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন নিজেকে মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা বলে দাবি করেন। তিনি মাদ্রাসাটির এবতেদায়ির সহকারী বাংলা শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।