Somoy TV
জ্বালানি তেলের সংকটের ভিড়ে যখন সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে তখন এক পুলিশ সদস্যসহ তিনজনকে জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) আলমডাঙ্গা হক ফিলিং স্টেশনে একাধিকবার তেল নেওয়া ও বিপরীত দিক থেকে প্রবেশের অভিযোগে তাদের ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়েছে।পুলিশ সদস্যকে জরিমানা করায় শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেয়া হয়। জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে হক ফিলিং স্টেশনে ৬ হাজার লিটার পেট্রোল ও ২ হাজার লিটার অকটেন বিক্রি শুরু হয়। এর আগেই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন মোটরসাইকেল চালকরা। জরুরি সেবার আওতাধীন ব্যক্তিরাও তেল নিতে আসেন। অভিযান চলাকালে দেখা যায়, এক নারী এনজিও কর্মী দীপা রানী মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে দুইবার তেল নেয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি চোখে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ বাইকাররা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করে। একই সময়ে লাল্টু নামের আরেক মোটরসাইকেল চালককে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরুরি সেবার আওতায় থাকা এক পুলিশ সদস্য তৌহিদুল ইসলামকেও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। আরও পড়ুন: অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এসময় উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ও তেল এজেন্সি পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে অবৈধ মজুত ও অনিয়মের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হয়। প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। আরও পড়ুন: জরিমানা থেকে বাঁচতে ভুয়া পুলিশ সাজলেন পিকআপ চালক জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল আল নাসের জানান, বাংলাদেশ পুলিশ একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনী হিসেবে সর্বদা জনগণের নিরাপত্তা প্রদান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসেবায় নিয়োজিত রয়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সুষম বণ্টন নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে পুলিশ। জরুরি পরিষেবায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাহিনীর মনোবলে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে এবং জনসেবায় নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।
Go to News Site